কি ভাবে লাইনে দাঁড়াতে হবে তা নিজেই দাগ কেটে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

27th March 2020 পশ্চিমবঙ্গ
কি ভাবে লাইনে দাঁড়াতে হবে তা নিজেই দাগ কেটে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী


সমরেস মাইতি [ কলকাতা ]: ক্রেতাদের সচেতন করতে এবার নিজেই রাস্তায় ‘সুরক্ষাবৃত্ত’ আঁকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  এদিন নবান্ন থেকে বেরিয়ে পোস্তা, জানবাজার, তালতলা, লেক মার্কেট, গড়িয়াহাট বাজার আচমকা পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পুলিস কমিশনার অনুজ শর্মা সহ কলকাতা পুলিসের অন্যান্য কর্তা এবং টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে হাল-হকিকত খতিয়ে দেখেন তিনি। খুচরো ব্যবসায়ীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য পাইকারি সব্জি বাজার নিযমিত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানবাজারে ক্রেতাদের হুড়োহুড়ি রুখতে এবং দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করার জন্য ইটের টুকরো দিয়ে নিজেই রাস্তায় গোল করে সুরক্ষারেখা টেনে দেন। কীভাবে, কতটা দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে গ্রাহকদের, তা রাস্তায় এঁকে বুঝিয়ে দেন মমতা। এদিন তিনি পোস্তা বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও কথা বলেন। পোস্তা বাজার যেন বিকেল ৫টা পর্যন্ত রোজ খোলা থাকে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দোকানে অযথা ভিড় যাতে না হয়, তা দেখার নির্দেশ দেন পুলিসকে। পাশাপাশি পাইকারি বাজারে সব্জি-আনাজ যাঁরা আনেন, তাঁদের যেন ছাড় দেওয়া হয়, এদিনও তা বারবার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এইসব ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট পাশ দেওয়ার জন্য পুলিসকে নির্দেশ দেন। গোটা রাজ্যের ক্ষেত্রে একইরকম পাশ তৈরির পরামর্শ দেন তিনি। সেই পাশ দেখালে যাতায়াতে ছাড় পাবেন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবসায়ীরা।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck