এগারায় বিয়ে বাড়ীতে করোনার ছায়া

27th March 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
এগারায় বিয়ে বাড়ীতে করোনার ছায়া


এগরাঃ নয়াবাদের বাসিন্দা রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ২৩ মার্চ তাঁকে জ্বর ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পিজি হাসপাতাল ও বেলেঘাটার নাইসেডের পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ মেলে।

à§§à§© মার্চ এগরা পুরসভা এলাকার এক হোমিয়ো চিকিৎসকের ছেলের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন দেশ-বিদেশের অতিথিরা। বালেশ্বর, ভুবনেশ্বর, রৌরকেলা, হায়দরাবাদ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, বোকারো, মধ্যপ্রদেশের আমন্ত্রিতেরা ছাড়াও আমেরিকা ও সিঙ্গাপুর থেকে ওই চিকিৎসকের চার বন্ধু এসেছিলেন। ওই চিকিৎসক আক্রান্ত বৃদ্ধের ভায়রাভাই। বিয়ে উপলক্ষে স্ত্রী, ছেলে, বৌমা, নাতনি এবং হাওড়ার এক পরিচিতকে নিয়ে ১২ মার্চ গাড়িতে এগরায় পৌঁছে একটি হোটেলে ওঠেন ওই বৃদ্ধ। বৌভাতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধি, স্কুলশিক্ষক, নেতা-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি হাজির ছিলেন। ১৬ মার্চ বিদেশি অতিথিরা ফিরে যান। সে-দিনই ওই বৃদ্ধ স্ত্রীকে নিয়ে দিঘা বেড়াতে যান। দিঘার হোটেলে বৃদ্ধের সংস্পর্শে এসেছেন, এমন ন’জনের খোঁজ মিলেছে ইতিমধ্যেই। আরও ১৪ জনের খোঁজ চলছে।

১৭ মার্চ বৃদ্ধের জ্বর আসে। ১৮ মার্চ শুরু হয় প্রবল শ্বাসকষ্ট। দিঘা থেকে ফিরে ১৮ থেকে ২২ মার্চ এগরায় আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন কোল ইন্ডিয়ার ওই প্রাক্তন কর্মী। ২২ মার্চ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় পরের দিন বৃদ্ধকে ভর্তি করানো হয় পঞ্চসায়রের বেসরকারি হাসপাতালে। মঙ্গলবার তাঁর লালারসের নমুনা এসএসকেএম হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। বেসরকারি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তা সিঞ্চন ভট্টাচার্য জানান, প্রথম বারের পরীক্ষায় নিশ্চিত না-হয়ে দ্বিতীয় বার নমুনা চেয়ে পাঠায় এসএসকেএম। বৃদ্ধ যে করোনা-পজ়িটিভ, তা নিশ্চিত ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার রাতে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck