রাজ্যে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হল আরও ৫ জন , এরমধ্যে শিশুও আছে

28th March 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্যে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হল আরও ৫ জন , এরমধ্যে শিশুও আছে


সমরেশ মাইতি [ কলকাতা ]; মাত্র ২৪ ঘণ্টায় মারণ করোনা ভাইরাসে রাজ্যে আক্রান্ত হলেন আরও পাঁচজন। ফলে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৫। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাজ্যে এই প্রথমবার আক্রান্তদের মধ্যে তিন শিশু ও কিশোর রয়েছে। এমনকী ন’মাসের দুধের শিশুও রয়েছে। আর একটি বাচ্চা মেয়ের বয়স ছয়। কিশোরের বয়স ১১ বছর। বড়দের দু’জনের বয়স হল ২৭ বছর এবং ৪৫ বছর। এঁরা প্রত্যেকে একই পরিবারের সদস্য। উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা এই বাঙালি পরিবারের প্রত্যেকের গ্রামের বাড়ি নদীয়ার তেহট্টে। রাতে স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত করোনা বুলেটিন থেকে এ খবর জানা গিয়েছে।
এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে হল এই সংক্রমণ? উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা ওই বাঙালি পরিবার ১৬ মার্চ দিল্লিতে এক করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসে। ওই আক্রান্তকে দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়। এই বাঙালি পরিবারকে বলা হয় ১৪ দিনের জন্য গৃহবন্দি থাকতে। পরিবারের সদস্য ২৭ বছরের তরুণী তা না করে সপরিবারে চলে আসেন নদীয়ায়। সেখানে তার কাশি শুরু হওয়ায় স্থানীয় হাসপাতালে দেখান। তার লক্ষণ-উপসর্গ দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে এবং পরিবারের ১৩ জনকে জেলা হাসপাতালে আইসোলেশনে নিয়ে আসে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। তাঁদের মধ্যে উপসর্গ থাকা আটজনের নমুনা পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। শুক্রবার পাঁচজনের নমুনাই পজিটিভ আসে। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের করোনা মোকাবিলার টিমের জন্যই কাশির লক্ষণ দেখামাত্রা মেয়েটি এবং তার পরিবারের সমস্ত লোকজনকে আমরা আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠাতে পেরেছি। না হলে ওরা যে কতজনকে আক্রান্ত করতেন ঈশ্বর জানেন!





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck