এগারায় বিয়ে বাড়ীতে করোনায় আক্রান্ত আরও ২ জন মহিলা

29th March 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
এগারায় বিয়ে বাড়ীতে করোনায় আক্রান্ত আরও ২ জন মহিলা


সমরেশ মাইতি [ এগরা ]; শনিবার রাজ্যে আরও তিনজন আক্রান্ত হলেন নোভেল করোনায়। এর মধ্যে একজন এগরার, একজন কলকাতার, তৃতীয়জন ভিনরাজ্য থেকে শ্রমিকের কাজ করতে উত্তরবঙ্গে এসেছিলেন। নতুন করে আক্রান্ত তিনজনই মহিলা। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৮। ২২ জনের রিপোর্ট আসা বাকি আছে।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, নতুন আক্রান্তের মধ্যে দু’জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহরের পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি থাকা করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধের আত্মীয়া। বয়স যথাক্রমে ৫৬ ও ৭৬। প্রথমজনের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার দীঘামোড়ে। অন্যজনের কলকাতায়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে নয়াবাদের বাসিন্দা ওই ৬৬ বছরের বৃদ্ধ এগরায় নিজের আত্মীয় এক চিকিৎসকের বিয়েবাড়িতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁর সংস্পর্শে আসেন এই দু’জন। ৫৬ বছর বয়সি মহিলা ওই চিকিৎসকের স্ত্রী। অন্যজন চিকিৎসকের পিসিমা। পিয়ারলেসে ভর্তি বৃদ্ধের রিপোর্ট করোনা পজিটিভ হওয়ায় ওই দু’জনসহ à§§à§© জনকে এগরা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল জেলা প্রশাসন। আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে প্রত্যেকের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় নাইসেড ও বিভিন্ন করোনা টেস্টিং সেন্টারে। à§§à§§ জনের নমুনা নেগেটিভ আসে। রাতে আসা রিপোর্টে করোনা মেলে এই দুই বয়স্কার। তাঁদের কলকাতায় আনা হচ্ছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck