আশ্রয়হীন ভবঘুরেদের আহারের জন্য ২০ হাজার টাকা দান করলেন প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর তেওয়ারি ও স্কুল স্টাফ

29th March 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
আশ্রয়হীন ভবঘুরেদের আহারের জন্য ২০ হাজার টাকা দান করলেন প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর তেওয়ারি ও স্কুল স্টাফ


বেলদাঃ লকডাউনের জেরে সারা ভারতের মত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদাতেও দোকানপাট সব বন্ধ । ফলে বেলদা ও আশে- পাশের আশ্রয়হীন ভবঘুরেরা সারাদিন না খেয়ে মরার মত অবস্থা যখন ঠিক তখনি বেলদা ব্যবসায়ী সমিতি BFTO বেলদা থানার পুলিশের সহযোগিতায় ভবঘুরেদের নিয়ে এসে তাদের দু বেলা খাওয়া - দাওয়ার ব্যবস্থা করে । ফলে তাঁরা প্রানে বেঁচে আছেণ । এমন সময় শশিন্দা সাগর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর তেয়ারী ও তাঁর বিদ্যালয় স্টাফ এর পক্ষ থেকে  তিনি ২০ হাজার টাকা BFTO এর ফান্ডে দান করেন যাতে করে সকল দরিদ্র আশ্রয়হীন মানুষ দু বেলা পেট  ভরে আহার করতে পারে এই লকডাউনের সময় । BFTO এর পক্ষ থেকে নুরহোসেন খান শিক্ষক দীপঙ্কর দেওয়ারির এই দানের কথা উল্ল্যেখ করে বলেন " আরও অর্থের প্রয়োজন , দীপঙ্কর বাবুর মত অন্যরাও এগিয়ে এসে সাহায্য করুন "।  দীপঙ্কর বাবুর সমাজসেবা মুলক এই কাজে এগিয়ে আসায় বেলদার জনগন সাধুবাদ জানাচ্ছেন । প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর বাবু বলেন "বেলদা পুলিশ প্রশাসন ও BFTO যে ভাবে অর্ত মানুষের পাশে তাদের সহানুভূতি নিয়ে দাঁড়িয়েছেন তাতে আমাদের বিদ্যালয়ের স্টাফের পক্ষে কিছু দিতে পেরে আমরা ধন্য।ধন্যবাদ জানাই BFTO কে এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।আসুন আমরা সকলে উনাদের কাজে হাত বাড়াই"।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck