মহামারির মধ্যেই আবার ভূমিকম্প দেশে

30th March 2020 ভারত
মহামারির মধ্যেই আবার ভূমিকম্প দেশে


হিমাচল প্রদেশ; পরপর দু’বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ। হিমাচল প্রদেশের চাম্বাতেই পরপর দু’টি কম্পন অনুভূত হল। রবিবার রাতের পর সোমবারও ভূমিকম্প হয়েছে ওই এলাকায়। রবিবার রাতে রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। সোমবার কম্পনের মাত্রা একটু কম। এদিন à§©.৬ মাত্রা ভূমিকম্প হয়েছে। শুক্রবার থেকে এখানে ভূমিকম্প হয়ে চলেছে বলে খবর। যদিও কোনও প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর আসেনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পরপর পাঁচবার কম্পন হয় এই চাম্বায়। যদিও কম্পনের মাত্রা খুব বেশি ছিল না। রিখটার স্কেলে সেদিন কম্পনের মাত্রা ছিল ৩ থেকে ৪.৩ এর মধ্যে। যদিও পরপর এভাবে কম্পনে এলাকার মানুষ রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন। সারানগনি, মাসিম থেকে ৪৬ কিমি দূরে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৯ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বলে ফিলিপাইন্স ইন্সটিটিউট অফ ভলক্যানালোজি জানিয়েছে।
ঠিক যেখানে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে তার থেকে মাত্র ৪৩ কিমি দূরেই রয়েছে বালুট নামে একটি আগ্নেয়গিরি। সকালে ভূমিকম্পের পরই মাঝরাতে ভূমিকম্প হয়েছে। এই পরপর কম্পনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ বলে খবর।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck