কলকাতা: করোনায় তটসà§à¦¥ গোটা বিশà§à¦¬à¥¤ সংকà§à¦°à¦®à¦£ যাতে বেশি না ছড়ায়, তার জনà§à¦¯ দেশজà§à¦¡à¦¼à§‡ লকডাউন চলছে। বিশà§à¦¬à§‡à¦° অনà§à¦¯ বড় বড় দেশেও à¦à¦•ই অবসà§à¦¥à¦¾à¥¤ à¦à¦° পà§à¦°à¦à¦¾à¦¬ বিশà§à¦¬ à¦à¦¬à¦‚ দেশের অরà§à¦¥à¦¨à§€à¦¤à¦¿à¦¤à§‡ পড়েছেই। তার জেরে à¦à¦¬à¦¾à¦° সঙà§à¦•টে কলেজ-বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à§Ÿà§‡à¦° পà§à¦²à§‡à¦¸à¦®à§‡à¦¨à§à¦Ÿà¥¤ শিকà§à¦·à¦¾ করà§à¦¤à¦¾à¦¦à§‡à¦° আশঙà§à¦•া, ঠবছর ছেলেমেয়েদের চাকরি পেতে সমসà§à¦¯à¦¾ হবে। টানা লকডাউনের জনà§à¦¯ সব সংসà§à¦¥à¦¾à¦‡ লোকসান গà§à¦¨à¦›à§‡à¥¤ à¦à¦‡ পরিসà§à¦¥à¦¿à¦¤à¦¿à¦¤à§‡ নতà§à¦¨ করে কেউ নিয়োগ করার সাহস দেখাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশà§à¦¬à¦¬à§à¦¯à¦¾à¦ªà§€ ঠসমসà§à¦¯à¦¾à¦° কারণে যে কিছà§à¦‡ করার নেই, সেই কথাও জানিয়েছেন তাà¦à¦°à¦¾à¥¤
আর কয়েক মাস পরেই বিà¦à¦¿à¦¨à§à¦¨ উচà§à¦š শিকà§à¦·à¦¾ পà§à¦°à¦¤à¦¿à¦·à§à¦ ানে কà§à¦¯à¦¾à¦®à§à¦ªà¦¾à¦¸à¦¿à¦‚ শà§à¦°à§ হয়ে যাবে। কোথাও অনলাইনেই পরীকà§à¦·à¦¾ বা ইনà§à¦Ÿà¦¾à¦°à¦à¦¿à¦‰ নেওয়া হয়। কিছৠপà§à¦°à¦¤à¦¿à¦·à§à¦ ানে আবার কোমà§à¦ªà¦¾à¦¨à¦¿à¦—à§à¦²à§‹ গিয়ে তাদের পছনà§à¦¦à¦®à¦¤ পà§à¦°à¦¾à¦°à§à¦¥à§€ বাছাই করে নেয়। কিনà§à¦¤à§ করোনা à¦à¦¾à¦‡à¦°à¦¾à¦¸à§‡à¦° কারণে যে অà¦à§‚তপূরà§à¦¬ পরিসà§à¦¥à¦¿à¦¤à¦¿ তৈরি হয়েছে, তাতে à¦à¦–ন কলেজ-বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à¦¯à¦¼à§‡à¦° ছেলেমেয়েদের পà§à¦²à§‡à¦¸à¦®à§‡à¦¨à§à¦Ÿ নিয়ে চরম অনিশà§à¦šà¦¯à¦¼à¦¤à¦¾ দেখা দিয়েছে। যেমন কয়েকটি বেসরকারি কলেজের তরফে ছাতà§à¦°à¦›à¦¾à¦¤à§à¦°à§€à¦¦à§‡à¦° জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চাকরির সà§à¦¯à§‹à¦— à¦à¦–ন নিয়নà§à¦¤à§à¦°à¦£ করা হবে। ফলে যে রকমের চাকরি মিলবে, তাই নিয়ে নিতে হবে। à¦à¦®à¦¨à¦•à§€ যাà¦à¦°à¦¾ ইতিমধà§à¦¯à§‡ চাকরির নিয়োগপতà§à¦° পেয়ে গিয়েছেন, তাও পà§à¦°à¦¤à§à¦¯à¦¾à¦¹à¦¾à¦° করে নেওয়া হতে পারে বলেও আশঙà§à¦•া করা হচà§à¦›à§‡à¥¤ কারণ সব সংসà§à¦¥à¦¾à¦—à§à¦²à¦¿ বড়সড় লোকসানের সমà§à¦®à§à¦–ীন। তাই পড়াশোনার উপর à¦à¦–ন বেশি জোর দিতে হবে। যা যা অনলাইন কà§à¦²à¦¾à¦¸ হচà§à¦›à§‡, সেগà§à¦²à¦¿ মন দিয়ে করার পরামরà§à¦¶ দিয়েছে সেইসব কলেজ করà§à¦¤à§ƒà¦ªà¦•à§à¦·à¥¤ রাজà§à¦¯à§‡ পà§à¦°à¦¯à§à¦•à§à¦¤à¦¿ ও ইঞà§à¦œà¦¿à¦¨à¦¿à¦¯à¦¼à¦¾à¦°à¦¿à¦‚য়ের পাঠদেওয়া হয়, à¦à¦®à¦¨ সব বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à¦¯à¦¼à§‡à¦° শিকà§à¦·à¦•রাও যথেষà§à¦Ÿ চিনà§à¦¤à¦¿à¦¤à¥¤ যেমন যাদবপà§à¦° বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à¦¯à¦¼à§‡à¦° সহ-উপাচারà§à¦¯ চিরঞà§à¦œà§€à¦¬ à¦à¦Ÿà§à¦Ÿà¦¾à¦šà¦¾à¦°à§à¦¯ বলেন, পà§à¦²à§‡à¦¸à¦®à§‡à¦¨à§à¦Ÿà§‡ ধাকà§à¦•া লাগতে পারে, à¦à¦®à¦¨ আশঙà§à¦•া করা হচà§à¦›à§‡à¥¤ বিশà§à¦¬à¦¬à§à¦¯à¦¾à¦ªà§€ অরà§à¦¥à¦¨à§€à¦¤à¦¿à¦° ওপর যে ধাকà§à¦•া à¦à¦¸à§‡à¦›à§‡, তাতে পà§à¦°à¦à¦¾à¦¬ পড়বে সেটাই সà§à¦¬à¦¾à¦à¦¾à¦¬à¦¿à¦•। তবে পà§à¦²à§‡à¦¸à¦®à§‡à¦¨à§à¦Ÿà§‡ à¦à¦‡ সমসà§à¦¯à¦¾ কীà¦à¦¾à¦¬à§‡ কাটিয়ে ওঠা যায়, তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব। জানা গিয়েছে, à¦à¦–ানে পà§à¦°à¦¤à¦¿à¦¬à¦›à¦°à¦‡ তাবড় তাবড় কোমà§à¦ªà¦¾à¦¨à¦¿à¦° পà§à¦°à¦¤à¦¿à¦¨à¦¿à¦§à¦¿à¦°à¦¾ আসেন। ইঞà§à¦œà¦¿à¦¨à¦¿à¦¯à¦¼à¦¾à¦°à¦¿à¦‚ à¦à¦° চতà§à¦°à§à¦¥ বছরের পà§à¦°à¦¾à¦°à§à¦¥à§€à¦¦à§‡à¦° থেকেই নিয়োগ করা হয়। পà§à¦°à¦¾à¦¯à¦¼ ৮০ শতাংশের বেশি ছাতà§à¦°-ছাতà§à¦°à§€ à¦à¦‡ পà§à¦²à§‡à¦¸à¦®à§‡à¦¨à§à¦Ÿà§‡à¦° মাধà§à¦¯à¦®à§‡ চাকরি পান। অনà§à¦¯à¦¦à¦¿à¦•ে পà§à¦°à¦¯à§à¦•à§à¦¤à¦¿ বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à¦¯à¦¼à§‡à¦° উপাচারà§à¦¯ সৈকত মিতà§à¦°à§‡à¦° কোথায়, à¦à¦–ন à¦à¦•টৠধীরে চলো নীতি পà§à¦°à¦¯à¦¼à§‹à¦— করবে সংসà§à¦¥à¦¾à¦—à§à¦²à¦¿à¥¤ অরà§à¦¥à¦¨à§ˆà¦¤à¦¿à¦• মনà§à¦¦à¦¾à¦° পà§à¦°à¦à¦¾à¦¬ পড়বে, সেটাই সà§à¦¬à¦¾à¦à¦¾à¦¬à¦¿à¦•। তবে আশা করা যাচà§à¦›à§‡, সব কাটিয়ে সà§à¦¬à¦¾à¦à¦¾à¦¬à¦¿à¦• ছনà§à¦¦à§‡ ফিরলে চাকরির বাজার আবার চাঙà§à¦—া হবে। কলকাতা বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à¦¯à¦¼à§‡à¦° à¦à¦• আধিকারিকের কথাতেও উঠে à¦à¦¸à§‡à¦›à§‡ উদà§à¦¬à§‡à¦—ের কথা। তিনি বলেন, গোটা বিশà§à¦¬ à¦à¦–ন সà§à¦¤à¦¬à§à¦§à¥¤ à¦à¦®à¦¨ পরিসà§à¦¥à¦¿à¦¤à¦¿à¦¤à§‡ নতà§à¦¨ করে কেউ নিয়োগ করবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ফলে à¦à¦•টা কঠিন সময় চলছে। ছেলেমেয়েরা আশায় থাকেন যে, পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করবেন। কিনà§à¦¤à§ সেই সমà§à¦à¦¾à¦¬à¦¨à¦¾ ধাকà§à¦•া খেলো। à¦à¦‡ লকডাউনের পর পরিসà§à¦¥à¦¿à¦¤à¦¿ সà§à¦¬à¦¾à¦à¦¾à¦¬à¦¿à¦• হলেও অরà§à¦¥à¦¨à§ˆà¦¤à¦¿à¦• ধাকà§à¦•া কাটিয়ে উঠতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে কেউই নিশà§à¦šà¦¿à¦¤ নন। কিনà§à¦¤à§ পরিসà§à¦¥à¦¿à¦¤à¦¿ ফের আগের মত হয়ে গেলে, তখন চাকরির বাজার ফের চাঙà§à¦—া হয়ে উঠবে বলে আশা শিকà§à¦·à¦¾à¦®à¦¹à¦²à§‡à¦°à¥¤