হাঁটতে হাঁটতে পথেই হল মৃত্যু , বাড়ি ফেরা হল না আর

3rd April 2020 ভারত
হাঁটতে হাঁটতে পথেই হল মৃত্যু , বাড়ি ফেরা হল না আর


করোনা অতিমারির জেরে স্তব্ধ জনজীবন। লকডাউনের জেরে কর্মসূত্রে বা পড়াশোনা করতে গিয়ে ভিন রাজ্যে আটকে পড়েছেন অনেকেই। অগত্যা বাড়ি ফিরতে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটেই পাড়ি দিয়েছেন।
লকডাউনের মাঝে এভাবেই সাড়ে চারশো কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারাই গেলেন ২২ বছরের এক পড়ুয়া! মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধা থেকে পায়ে হেঁটে তামিলনাড়ুতে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি।
পশ্চিম তামিলনাডুর নমক্কল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন বালা সুব্রমণি লোগেশ নামের বছর বাইশের ওই পড়ুয়া। মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধায় কৃষিখাদ্য নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন তিনি। লকডাউন চলাকালীন গণপরিবহণ বন্ধ। লোগেশ-সহ ৩১জন পড়ুয়া মিলে পায়ে হেঁটেই বাড়ি ফিরছিলেন। বুধবার বোয়েনপল্লি বাজার এলাকায় পুলিশ তাঁদের আটকায় এবং ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত একটি কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের খাবারও দেওয়া হয়।
মাঝরাতে জ্ঞান হারান লোগেশ। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে লোগেশের। কিন্তু এত কম বয়সে হৃদরোগ? চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রচুর হাঁটার ধকল সম্ভবত নিতে পারেননি লোগেশ। তাই তাঁর হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যায়।
এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, সাড়ে চারশো কিলোমিটারের মধ্যে কিছুটা রাস্তা ট্রাকে আর বাকিটা পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দেন লোগেশরা।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck