পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে করোনায় আক্রান্ত এক বৃদ্ধ

3rd April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে করোনায় আক্রান্ত এক বৃদ্ধ


শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বছর আশির ওই বৃদ্ধের চার ভাই। এক ভাই পরিবার নিয়ে আলাদাভাবে অন্যত্র থাকেন। বাকি তিন ভাইয়ের যৌথ পরিবার। কলকাতার বড় বাজারে বৃদ্ধের পরিবারের পান ব্যবসা রয়েছে। তা বৃদ্ধ, তাঁর ছেলে এবং এক ভাই দেখাশোনা করেন। ব্যবসা সূত্রের ভিন্ রাজ্যে যাতায়াতও রয়েছে তাঁদের। গত ২৪ মার্চ বিকেলে ওই বৃদ্ধ ও তাঁর আরেক ভাই নিজেদের গাড়িতে তমলুকের গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। ২৫ মার্চ বিকেল থেকে দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হয়। গ্রামের বাড়িতে থাকার সময়েই বৃদ্ধের জ্বর হয়। তাঁকে প্রথমে এলাকার এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৩১ মার্চ তমলুক শহরের একটি নার্সিংহোমে এনে চিকিৎসককে দেখান পরিজন।

করোনা উপসর্গ থাকায় ওই নার্সিংহোমের চিকিৎসক কলকাতায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেই মতো ওই রাতেই কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে বৃদ্ধকে ভর্তি করানো হয়। ওই বৃদ্ধের সঙ্গে থাকা তাঁর ছেলে এবং ভাই সেখানে অসুস্থ হওয়ায় তাঁদেরও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বৃদ্ধের লালারসের নমুনা রিপোর্ট বুধবার রাতে এসেছে। তাতে  দেখা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধ করোনা আক্রান্ত।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck