অ্যাম্বুলেন্সে মেদিনীপুর মেডিক্যালে পাঠানোর পর বেপাত্তা ভিন রাজ্য ফেরত অসুস্থ ৫ শ্রমিক

4th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
অ্যাম্বুলেন্সে মেদিনীপুর মেডিক্যালে পাঠানোর পর বেপাত্তা ভিন রাজ্য ফেরত অসুস্থ ৫ শ্রমিক


খড়্গপুর: খড়্গপুর গ্রামীণ এলাকায় একটি ধাবায় কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভিনরাজ্য থেকে আসা অসুস্থ পাঁচ শ্রমিককের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। শুক্রবার সকালে অ্যাম্বুলেন্সে করে মেদিনীপুর মেডিক্যালে পাঠানোর পর তাঁরা বেপাত্তা হয়ে যান। পাশাপাশি ধাবায় থাকা বাকি ১২ জনও চম্পট দেন। এই ঘটনায় ব্যাপক উদ্বেগ ছড়ায়। অবশেষে এদিন দুপুরে কোলাঘাট থেকে ১২ জনকে পুলিস উদ্ধার করলেও অসুস্থ পাঁচজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিডিও আলি মহম্মদ ওয়ালি উল্লাহ বলেন, ১২ জনকে পাওয়া গিয়েছে। বাকি পাঁচজনের খোঁজে পুলিস তল্লাশি চালাচ্ছে।
খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কাজি সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোলাঘাটের কাছ থেকে ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সকলেই মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। তাঁদের ডাক্তারি পরীক্ষা করে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।
পুলিস ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৭ জন শ্রমিক ওড়িশার কটকে কাজ করতে গিয়েছিলেন। লকডাউনের জেরে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাই হেঁটেই বাড়ি ফিরছিলেন। বুধবার খড়্গপুর গ্রামীণ এলাকার রূপনারায়ণপুরের কাছে একটি সেতুর নীচে সকলে আশ্রয় নেন। অচেনা লোকজনকে দেখে গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েতকে খবর দেন। খবর যায় বিডিওর কাছেও। রাতেই তাঁদের ওই এলাকারই একটি বন্ধ ধাবায় রাখা হয়। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে পাঁচজনের অসুস্থতা বোঝা যায়। তখন তাঁদের অ্যাম্বুলেন্সে করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিডিও বলেন, এদিন ওই শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর জন্য সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ধাবায় কেউ নেই। এমনকী, যাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল, তাঁদেরও খোঁজ নেই। তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে নামিয়ে দিয়ে ছিলেন। তারপর তাঁদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck