পূর্ব মেদিনীপুরে করোনায় আক্রান্ত হাতুড়ে ডাক্তার চিকিৎসা করলেন ১৫০ জন রুগীর

4th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব মেদিনীপুরে করোনায় আক্রান্ত হাতুড়ে ডাক্তার চিকিৎসা করলেন ১৫০ জন রুগীর


পূর্ব মেদিনীপুরঃ এবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কোরোনায় আক্রান্ত এক হাতুড়ে চিকিৎসক । 60 বছর বয়সি ওই বৃদ্ধ শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বাসিন্দা । সম্প্রতি তিনি এলাকার প্রায় 150 জনের চিকিৎসা করেছেন বলে খবর । তাঁদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ । গতকাল গভীর রাতে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে জেলায় যে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে তাতে ওই চিকিৎসকের কোরোনা পজ়িটিভের উল্লেখ রয়েছে । এনিয়ে জেলায় কোরোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ ।

প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, 24 মার্চ স্থানীয় এক পান ব্যবসায়ী বছর 80-র বৃদ্ধ কলকাতা থেকে বাড়ি ফেরেন । 25 ও 26 তারিখে তিনি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করেন । তখনই ওই হাতুড়ে চিকিৎসককে দেখাতে যান। পরে ওই ব্যবসায়ীকে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় । 31 তারিখে জানা যায়, তিনি কোরোনা আক্রান্ত । 2 এপ্রিল বৃদ্ধের চিকিৎসার কাজে লিপ্ত থাকা ওই হাতুড়ে চিকিৎসককে তমলুক জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন বিভাগে ভরতি করা হয় । ওইদিন রাতে তাঁর সোয়াবের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতায় পাঠানো হয় । গতকাল আসা রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে তিনি কোরোনায় আক্রান্ত । জানা গেছে, এর মধ্যে ওই হাতুড়ে চিকিৎসক এলাকার প্রায় 150 জন রোগীর চিকিৎসা করেছেন । প্রশাসন তাঁদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে ।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck