পূর্ব মেদিনীপুরের সেই এগরার চিকিৎসক ছাড়া পেলেন

7th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব মেদিনীপুরের সেই এগরার চিকিৎসক ছাড়া পেলেন


এগরাঃ পূর্ব মেদিনীপুরে এখনও পর্যন্ত à§§à§© জন বাসিন্দার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। সোমবার জেলায় নতুন করে কারও করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি। এগরার যে চিকিৎসকে এ দিন ছাড়া হয়েছে, তাঁর ছেলের বিয়েতে এসেছিলেন কলকাতার নয়াবাদের করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ। তিনি মারা গিয়েছেন। ওই বৃদ্ধের সংস্পর্শে এসে চিকিৎসকের পরিবারের কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হন। এর পরে চিকিৎসকের পরিবারের সদস্য এবং এক আত্মীয়ের বাড়ি পরিচারিকা মিলে à§§à§­ জন এগরা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের আইসোলেশনে ছিলেন গত কয়েকদিন। তবে তাঁদের প্রত্যেকের রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় এ দিন  হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেও আপাতত সবাইকে হোম আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতর। 

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে এগরার চিকিৎসক। এ দিন তিনি বলেন, ‘‘নিজেদের যেন বন্দি দশা থেকে মুক্ত করলাম। নিজেদের অজ্ঞাতেই একটা কাজে সব কিছু যেন ওলটপালট হয়ে যাচ্ছিল। সবাই লকডাউনে বাড়িতে থাকুন। সুস্থ জীবন কাটাতে এইটুকু নির্দেশ পালন করুন।’’





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck