শবেবরাতে কবর জিয়ারত করবেন না - ফিরহাদ

7th April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
শবেবরাতে কবর জিয়ারত করবেন না - ফিরহাদ


কলকাতাঃ দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পশ্চিমবঙ্গেও হানা দিয়েছে মারণ কোভিড-১৯। তবে এই মহামারিকে রুখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। সেই পথে হেঁটেই এবার শবেবরাতের আগের রাতে কবর জিয়ারত করতে না যাওয়ার জন্য মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানালেন কলকাতার মেয়র ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ওই দিন কলকাতার সমস্ত সরকারি কবরস্থান বন্ধ রাখবে পুরসভা। সমস্ত মসজিদও বন্ধ রাখার জন্য ইমামদের কাছে আবেদন করেছেন পুরমন্ত্রী।

আগামী বৃহস্পতিবার শবেবরাত। রমজানের আগে মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছে এটি  সবচেয়ে বড় পরব। প্রথা মাফিক শবেবরাতের আগের দিন অর্থাৎ বুধবার রাতে, কবরস্থানে গিয়ে মৃত পরিজনদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা। তারপর গোটা রাত চলে নমাজ পাঠ। পরেরদিনও মসজিদে জমায়েত হয়ে প্রার্থনা করা হয়। কিন্তু এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজ্যে এবং শহর কলকাতায় থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। এহেন পরিস্থিতিতে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মেনে চলার আরজি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যেহেতু এই ভাইরাস আক্রান্তের শরীর থেকে দ্রুত অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, তাই জনতার কাছে বাড়িতে থাকার আরজি জানিয়েছে চিকিৎসক মহলও। সেই কথা মাথায় রেখেই মেয়র এদিন মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মসজিদে না গিয়ে বাড়িতেই নমাজ পড়ার আরজি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ইমামদের কাছেও আপাতত মসজিদে সার্বজনিকভাবে নমাজ পড়া স্থগিত রাখার আরজি জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে কলকাতার নাখোদা-সহ বেশ কয়েকটি মসজিদে নমাজ পাঠ বন্ধ রাখা হয়েছে।   





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck