করোনার জেরে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে যাওয়ায় চিন্তিত চাকরিপ্রার্থীরা

8th April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
করোনার জেরে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে যাওয়ায় চিন্তিত চাকরিপ্রার্থীরা


কলকাতা: হাজারো উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে কোভিভ-১৯। তার সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে, শিক্ষকতার চাকরিপ্রার্থীদের উদ্বেগ। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পুরসভা ভোটের পরই নেওয়া হবে টেট। সেই ঘোষণায় আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু অপ্রত্যাশিত পটপরিবর্তনে তাঁরা হতাশ। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে তো গেলই। এ বছরের মধ্যে হবে কি না, তাও সন্দেহ। আইনি জটিলতায় অবশ্য উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগে থেকেই থমকে ছিল। এবার তা আরও পিছিয়ে গেল। নতুন স্কুল শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা ছাড়াও জরুরি বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। প্রথমত, দূরের জেলায় চাকরিরত শিক্ষকদের নিজের জেলায় আনা। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরুও করে দিয়েছিল শিক্ষা দপ্তর। পাশাপাশি, স্পেশাল ট্রান্সফার, মিউচুয়াল ট্রান্সফারের প্রক্রিয়াও চলছিল। একইসঙ্গে, অতিথি ও চুক্তিভিত্তিক অধ্যাপকদের (স্যাক্ট) বেতন বৃদ্ধির বিষয় নিয়েও কাজ করছিল উচ্চশিক্ষা দপ্তর। অতিথি অধ্যাপকদের ডক্যুমেন্ট ভেরিফিকেশন, হিয়ারিং প্রভৃতি চলছিল। মারণ ভাইরাস সবই থমকে দিয়েছে। সবকটি বিষয়ে কয়েক লক্ষ শিক্ষকের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে সরকারপন্থী বা সরকার বিরোধী, সব সংগঠনই মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থসাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে। সেই পোস্টারের নীচেও উদ্বিগ্ন চাকরিপ্রার্থী বা কর্মরত শিক্ষকদের হাহাকার চোখে পড়ার মতো। কেউ লিখেছেন, উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ পর্ব এবার দয়া করে সেরে ফেলুন। কেউ লিখেছেন, টেট কবে হবে স্যার। কোনও শিক্ষক কাতর আবেদন জানিয়ে বলেছেন, জেনারেল ট্রান্সফারটা দয়া করে চালু করে দিন।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck