ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে ১৪০০ কিমি পথ পাড়ি মায়ের

10th April 2020 ভারত
ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে ১৪০০ কিমি পথ পাড়ি মায়ের


 à¦¸à§à¦¬à¦¾à¦®à§€ à§§à§« বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। আছে দুই ছেলে। বড় ছেলে বাড়িতেই ছিল। আটকে পড়েছিল ছোট ছেলে। বাড়ি থেকে প্রায় ১৪০০ কিমি দূরে। তাই অসাধ্য সাধন করতে লড়াইয়ে নামলেন ‌মা, রাজিয়া বেগম। পেশায় শিক্ষিকা এই ৪৮ বছরের মহিলা চললেন হায়দরাবাদ থেকে নেল্লোর।প্রথমে ভেবেছিলেন বড় ছেলেক বলবেন ভাইকে নিয়ে আসতে। কিন্তু পরে ভেবে দেখলেন তাতে মুশকিল হবে। বড় ছেলের রাস্তায় গাড়ি নিয়ে দেখে পুলিশ ভাবতে পারে, ছেলে বুঝি ঘুরতে বেরিয়েছে। তাই পুলিশের ঝামেলা এড়াতে নিজেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।রাজিয়া জানিয়েছেন, ‘‌ছেলে হঠাৎই আটকে পড়েছিল নেল্লোরে। এক বন্ধুকে ছাড়তে গিয়েছিল। ওখানে ক’‌দিন থাকার কথা ছিল। তার মাঝে হঠাৎ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ফিরতে পারেনি সে। কিন্তু যেভাবে আতঙ্ক বাড়তে শুরু করেছে, তাতে ছেলে অস্থির হয়ে পড়েছিল বাড়িতে ফেরার জন্য। আমারও টেনশন হচ্ছিল খুব। তাই শেষ পর্যন্ত ঠিক করলাম আমিই যাব। প্রথমে ভেবেছিলাম গাড়িতে যাবো। তারপর বাইকেই যাওয়া স্থির করলাম।’‌

এই দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে নিজের সঙ্গে রুটি বেঁধে নিয়েছিলেন রাজিয়া। এতটা পথ যাত্র তো সহজ নয়। সোমবার সকালে পুলিশের অনুমতি নিয়ে হায়দরাবাদ তেকে নেল্লোরের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন তিনি। বুধবার ছেলেকে নিয়ে ফিরে আসেন। পথে বেশ কয়েকবার গাড়িতে তেল ভরার জন্য তাঁকে দাঁড়াতে হয়েছে। মাঝে জল তেষ্টা পেয়েছে। তখনও দাঁড়িয়েছেন, খেয়েছেন। কিন্তু ছেলে নিজামুদ্দিনকে নিয়ে তাঁর বাড়ির ফেরার ঘটনাটা যেন রূপকথার মতো।

ছেলে বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায়। মন দিয়ে পড়াশোনা করছে এখন। আর একার সংসারে রাজিয়াই এক আগলে রাখছেন ছেলেদের। তিনদিন ধরে জনশূন্য রাস্তায় এই অবাক যাত্রা তাই উদাহরণ মাতৃ স্নেহেরও।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck