কলকাতা: সামাজিক দূরত্ব কি অনলাইন শিক্ষার সামনে নতুন দরজা খুলে দিয়েছে? এই ছবি আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য দেখা যাচ্ছে, নাকি ভবিষ্যতে দূরশিক্ষার দিকে এগিয়ে যাওয়াকে ত্বরান্বিত করছে, তা নিয়েই শুক্রবার একটি ওয়েবনার বা ওয়েব সেমিনারের আয়োজন করেছিল বণিকসভা বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। বিভিন্ন বক্তারা মতামত দিতে গিয়ে জানালেন, এটাই এখন শিক্ষার ভবিষ্যৎ।
বিভিন্ন বেসরকারি এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কর্তারা এই ওয়েবনারে অংশ নেন। তাতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকর্তা বলেন, ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থা কেমন হতে চলেছে, তা এই সময়টা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। এখন হয়তো পরিস্থিতির কারণে ক্লাসরুম শিক্ষা বন্ধ রেখে অনলাইনে ঝুঁকতে হয়েছে। কিন্তু একটা সময় এটাই করতে হবে। রাজ্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা ম্যাকাউট-এর উপাচার্য সৈকত মৈত্র বলেন, অনলাইনের ভালো-খারাপ দু’টি দিকই রয়েছে। কিছু বাধা-বিপত্তিও রয়েছে। কিন্তু সবাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলে সেগুলি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এখন অনেক প্রবীণ শিক্ষকও নিজেদের লেখা, লেকচার ভিডিও করে ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। পরিস্থিতির জন্যই এসবে সড়গড় হয়েছেন তাঁরা। এভাবে সবাই একদিন এতে দক্ষ হয়ে উঠবেন বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে, স্কুলপড়ুয়াদের অনলাইনে পাঠ দিতে এগিয়ে এসেছে এডুকেশন ফাউন্ডেশন নামে সংস্থাটিও। তারা ‘করো না-থোড়ি মস্তি, থোড়ি পড়াই’ নামে একটি প্রকল্প নিয়েছে। তাতে নথিভুক্ত হলে অনলাইনেই পড়াশোনা করতে পারবে পড়ুয়ারা।