পশ্চিম মেদিনীপুরে স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত বহু মানুষ

4th December 2019 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত বহু মানুষ


বাংলা নিউজঃ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অজানা জ্বরের সঙ্গে বাড়ছে স্ক্রাব টাইফাসের দাপট । পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও এর দাপট অব্যাহত । বিশেষ করে জেলার শালবনি, ভাদুতলা, গড়বেতা 1 ,2 ও 3 নম্বর ব্লক এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি । মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এই মুহূর্তে ভরতি রয়েছে প্রায় 400 জনের বেশি ৷ প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তিন-চারজন স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত রোগী ভরতি হচ্ছেন হাসপাতালে । ইতিমধ্যেই রাজ্যের নির্দেশিকা মতো জেলাস্তরে এর মোকাবিলা করার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে । এলাকায় এলাকায় ক্যাম্প করা হচ্ছে ৷ সতর্ক করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে ৷ পাশাপাশি চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা ৷ একদিকে ডেঙ্গি, অজানা জ্বর অন্যদিকে স্ক্রাব টাইফাস এই ত্রিমুখী আক্রমণে প্রায় নাজেহাল জেলাবাসী ।


জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশচন্দ্র বেরা জানান, এই মুহূর্তে মোট আক্রান্তের সংখ্যা 400 জনের বেশি ৷ যদিও তাঁর দাবি সঠিক সময় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়েছে তাই এখনও পর্যন্ত জেলায় কেউ মারা যায়নি ৷





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck