খুলছে কিছু কারখানা, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে ব্যবস্থা

15th April 2020 ভারত
খুলছে কিছু কারখানা, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে ব্যবস্থা


বুধবার সকালে ওই নির্দেশিকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী à§© মে পর্যন্ত লকডাউন চলাকালীন à¦—োটা দেশেই জুড়ে বন্ধ থাকবে বাস-ট্রেন-বিমান পরিষেবা। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ওই গাইডলাইন বা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্ধ রাখা হবে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে, ‘জনগণের কষ্ট লাঘব করতে’ আগামী ২০ এপ্রিলের পর ছাড় দেওয়া হবে কৃষি ক্ষেত্র, তথ্যপ্রযুক্তি, ই-কমার্স এবং আন্তঃরাজ্য পরিবহণ ব্যবস্থায়।

এ দিনের নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, ‘‘গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে ওই সব এলাকায় যে সমস্ত কলকারখানা রয়েছে বা সেখানকার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, সড়ক নির্মাণ, কৃষিকাজের প্রকল্প, নির্মাণ ও শিল্প প্রকল্প, এমএনআরইজিএ-এর আওতায় কাজ, জল সংরক্ষণের কাজ এবং সাধারণ পরিষেবা দেওয়ার কেন্দ্র খোলা রাখা হবে।’’ তবে করোনা-সংক্রমণ ঠেকাতে সবর্ত্র যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, লকডাউনের সময় এ সব ক্ষেত্রে ছাড়ের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিশেষত ভিন্‌ রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ছাড় মিলবে আন্তঃরাজ্যে পণ্য পরিবহণকারী ট্রাকের যাতায়াতের ক্ষেত্রেও। অপরিহার্য এবং তুলনামূলক ভাবে কম প্রয়োজনীয়— এই দুই ধরনের পণ্য পরিবহণের ওই ছাড় দেওয়া হবে। ওই পণ্যসামগ্রী নিয়ে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ট্রাকগুলি যাতায়াতের সময় তাতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে যাতে তা সারাই করে নেওয়া যায় সে দিকেও নজর রাখা হয়েছে। ফলে ট্রাক সারানোর দোকানগুলিও খুলছে আগামী সোমবার, ২০ এপ্রিল থেকে। সেই সঙ্গে ওই দিন থেকে রাস্তার ধারের ধাবাগুলিও খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck