করোনা মোকাবিলায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন মেদিনীপুরে

15th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
 করোনা মোকাবিলায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন মেদিনীপুরে


ত্রাসের নাম করোনা। এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত এবং সন্দেহভাজনদের চিকিৎসার যাবতীয় খুঁটিনাটি দেখভাল করতে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হল মেদিনীপুরে। সূত্রের খবর, করোনা মোকাবিলায় গঠিত জেলাস্তরের টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান তথা জেলাশাসক রশ্মি কমলের পরামর্শে ওই বোর্ড গঠন করেছেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পঞ্চানন কুণ্ডু। এই ‘মাল্টি ডিসিপ্লিনারি মেডিক্যাল বোর্ড’- এর চেয়ারম্যান করা হয়েছে মেডিক্যালের মেডিসিন বিভাগের প্রধানকে। বোর্ডে রয়েছেন মেডিক্যালের অনান্য বিভাগের প্রধানেরাও।

মেদিনীপুর মেডিক্যালের অধ্যক্ষ পঞ্চানন কুণ্ডু মানছেন, ‘‘একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।’’ মেডিক্যালের এক সূত্র জানাচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের এবং সন্দেহভাজনদের চিকিৎসা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় সে জন্যই এই পদক্ষেপ। মেডিক্যালের এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘করোনায় আক্রান্ত এবং সন্দেহভাজনদের নানা সংক্রমণে ভোগার আশঙ্কা থাকে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে একটা উদ্বেগ থাকেই। বিশেষ করে যাঁদের অবস্থা সঙ্কটজনক হয়।’’ তাঁর দাবি, ‘‘মাল্টি ডিসিপ্লিনারি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের ফলে চিকিৎসায় সুবিধে হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর এই বোর্ড রোগীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখতে পারবে। প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিতে পারবে।’’ মেডিক্যালের ওই আধিকারিক মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়েই মেডিক্যাল বোর্ড গড়েছেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ।

মেদিনীপুরে দু’টি করোনা হাসপাতাল চালু হয়েছে। খাসজঙ্গলের আয়ুষ হাসপাতালটি লেভেল-à§§ করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন কাশি, হাঁচি প্রভৃতি উপসর্গের রোগী, যাঁরা সন্দেহভাজন, কিন্তু করোনা নেগেটিভ। অন্য দিকে, মেদিনীপুরের মোহনপুরের গ্লোকাল হাসপাতালটি লেভেল- ২ করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন জ্বর, শ্বাসকষ্টের মতো (সিভিয়র রেসপিরেটরি ইলনেস বা সারি) উপসর্গের রোগীরা। এঁরাও সন্দেহভাজন, কিন্তু করোনা নেগেটিভ। আর জেলার কেউ করোনা  আক্রান্ত হলে তাঁকে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার মেচগ্রামের বড়মা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ রয়েছে। পূর্বের ওই হাসপাতালটি লেভেল- à§© এবং ৪ হিসেবে কাজ করছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck