দেশের বিপদের দিনে অমিত শাহ কোথায় লুকিয়ে গেলেন , প্রশ্ন সবার

18th April 2020 ভারত
দেশের বিপদের দিনে অমিত শাহ কোথায় লুকিয়ে গেলেন , প্রশ্ন সবার


দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কোথায়?‌ জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে এখন এই প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে দেখা যাচ্ছে না। মার্চ মাসে করোনা মোকাবিলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনকী দ্বিতীয় দফায় যখন লকডাউন বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হল তখন তাঁকে দেখা গেল না। করোনাভাইরাসকে যখন মহামারী বা বিপর্যয় বলে ঘোষণা করা হল তখন তিনি অন্তরালে। অথচ বিপর্যয় মোকাবিলার নোডাল মন্ত্রকের ইনচার্জ অমিত শাহই।
এদিকে দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে তিন সপ্তাহের বেশি। এতদিনেও একবারের জন্য দেখা মেলেনি তাঁর। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই কার্যত লোকচক্ষুর আড়ালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হ্যাঁ, দেশের এই জরুরি পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীরা যখন প্রকাশ্যে সক্রিয়, তখন কিছু টুইট করা ছাড়া অন্তরালে শাহ। আর এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। দলীয় সূত্রে খবর, শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মনোমালিন্যের জন্যই তিনি অন্তরালে চলে গিয়েছেন। জনতা কার্ফুর সময়ও একটা কিছু তাঁকে পোস্ট করতে দেখা যায়নি। আরএসএসের সঙ্গেও মতবিরোধ তৈরি হয়েছে শাহের বলে খবর। তাই অন্তরালে তিনি। তাঁর জন্য বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠনের ক্ষতি হয়েছে বলে প্রশ্ন উঠেছে দলের অন্দরেই। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, গোপনে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন অমিত শাহ। তাই তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না।
জানা গিয়েছে, মতান্তরের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের নাম। যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডোভাল প্রথমে দিল্লী সংঘর্ষ থামানো, পরে লকডাউনের সময়ে তবলিঘি জামাতের সদস্যদের নিভৃতবােস পাঠাতে সক্রিয় ভূমিকা নেন তাতে ক্ষুব্ধ অমিত। তাহলে রাজনীতির ময়দানে ফের কবে অমিত শাহকে দেখা যাবে?‌ উত্তর নেই গেরুয়া শিবিরের।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck