২০ এপ্রিল থেকেই শুরু মিড–ডে মিল

18th April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
২০ এপ্রিল থেকেই শুরু মিড–ডে মিল


সমরেস মাইতি [ কলকাতা ]; রাজ্যের স্কুলগুলিতে দ্বিতীয় দফায় মিড–ডে মিল বিলির কাজ শুরু হবে ২০ এপ্রিল, সোমবার থেকে। চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। এই দফায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াপিছু à§© কেজি চাল ও à§© কেজি আলু দেওয়া হবে। এ নিয়ে স্কুলশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আলু এবং চাল বিলির আগে à§§à§­ এপ্রিলের মধ্যে অভিভাবকদের বিষয়টি জানাতে হবে এবং স্কুল চত্বর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ১৯ এপ্রিলের মধ্যে পড়ুয়াপিছু নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল ও আলুর প্যাকেট তৈরি করতে বলা হয়েছে। ২০ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে বিলির কাজ শুরু হবে। এক এক সময়ে এক একটি ক্লাসের পড়ুয়াদের অভিভাবকদের এই প্যাকেট দেওয়া হবে। যাতে একসঙ্গে অনেক ভিড় না হয়। এক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার যে নিয়ম রয়েছে, তা মানতে বলা হয়েছে।
মিড–ডে মিল নিতে পড়ুয়াদের স্কুলে আসতে বারণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র অভিভাবকরাই আসবেন। মিড–ডে মিল বিলির পুরো দায়িত্বই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষকদের। লকডাউন চলায় কীভাবে তঁারা স্কুলে যাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্কুল জীবাণুমুক্ত করার কাজই বা কারা করবে, বিজ্ঞপ্তিতে সেটাও বলা হয়নি। তবে জেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, যাঁদের ট্রেন বা বাসে করে স্কুলে আসতে হয়, তাঁরা না এসে যাঁরা স্কুলের কাছে থাকেন তাঁদের আসতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশ অবশ্য মৌখিক। সেক্ষেত্রে স্কুলের কাছাকাছি থাকেন এমন শিক্ষক, মিড–ডে মিলের রান্নার কর্মী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির সাহায্যে কাজটি করতে বলা হয়েছে।‌





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck