রাজ্যের সব সরকারি অফিসেই কাজ শুরু

21st April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্যের সব সরকারি অফিসেই কাজ শুরু


কলকাতা: সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী সোমবার থেকে রাজ্য সরকারের সব অফিসেই কাজকর্ম শুরু হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে জরুরি কাজকর্ম চালাতেই অফিস খোলার নির্দেশিকা জারি হয়। তবে করোনা সংক্রমণজনিত আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রথম থেকেই স্বাস্থ্য, অর্থ, খাদ্য সহ কয়েকটি দপ্তর ও জেলা পর্যায়ে বেশ কিছু প্রশাসনিক অফিস খোলা ছিল এবং কয়েকজন কর্মী ও আধিকারিক কাজ করেছেন।
মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা কয়েকদিন আগে যে নির্দেশিকা জারি করেন, তাতে রাজ্য সরকারের সব অফিসেই কিছু আধিকারিক ও কর্মীকে এনে সোমবার থেকে কাজ শুরু করতে বলা হয়। আধিকারিক পর্যায়ে ডেপুটি সেক্রেটারি ও ঊর্ধ্বতনদের অফিসে আসতে বলা হয়। গ্রুপ-সি ও তার নীচের স্তরের কর্মীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশকে অফিসে আনার বন্দোবস্ত করতে বলা হয়। সেক্ষেত্রে রোস্টার বানিয়ে কর্মীদের একদিন অন্তর আনারও নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব।
নবান্ন সহ সরকারের বিভিন্ন সচিবালয়, ডাইরেক্টরেট সহ আঞ্চলিক পর্যায়ের অফিসের প্রধানরা ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী রোস্টার তৈরি করেছেন। ফলে সব অফিসেই খুব কম সংখ্যক কর্মী কাজে এসেছেন এদিন। নবান্নে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কর্মী কাজ করেন। তারমধ্যে এদিন সব দপ্তর মিলিয়ে পাঁচশো জনেরও কম হাজির ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ডেপুটি সেক্রেটারি থেকে ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের বেশিরভাগই অবশ্য অফিসে এসেছেন। নবান্নে ঢোকার আগে থার্মাল গান দিয়ে সকলের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও স্যানিটাইজার à¦¦à¦¿à¦¯à¦¼à§‡ হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়। নবান্ন সহ বিভিন্ন অফিসে যে কর্মী ও আধিকারিকরা এদিন এসেছিলেন, তাঁদের বেশিরভাগই তাড়াতাড়ি বাড়ি  ফিরে গিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রায় সব অফিসেই গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে কর্মীদের যাতায়াত মসৃণ হয়। তবে যাঁদের বাড়ি দূরবর্তী এলাকায়, রোস্টারে তাঁদের ডিউটি দেওয়া হয়নি। অধিকাংশ অফিসেই এখন বেতনের বিল সহ আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কাজ জরুরি ভিত্তিতে করা হবে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck