করোনায় আক্রান্ত রেলরক্ষী, খড়গপুরে পরীক্ষা আরও ১৮ জনের

22nd April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
করোনায় আক্রান্ত রেলরক্ষী, খড়গপুরে পরীক্ষা আরও ১৮ জনের


করোনার কোপে এ বার এক রেলরক্ষী। পড়শি জেলা ওড়িশায় করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে তাঁর। তিনি ভর্তি আছেন কটকের করোনা হাসপাতালে। আর তাঁর সংস্পর্শে আসায় ২৭ জনকে পাঠানো হয়েছে নিভৃতবাস (কোয়রান্টিন) কেন্দ্রে। তার মধ্যে মঙ্গলবার ১৮জনকে খড়্গপুর শহরের নিউ সেটলমেন্টে পুরনো টিবি হাসপাতালের নিভৃতবাস কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আরও ৯ জনকে শালিমার, ঝাড়গ্রাম, সাঁতরাগাছি, মেচেদা-সহ খড়্গপুর রেল ডিভিশনের বিভিন্ন এলাকায় নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে। এ দিন খড়্গপুহরের নিভৃতবাস কেন্দ্রের ১৮জনের মধ্যে ৮জনের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয় করোনা পরীক্ষার জন্য।

সূত্রের খবর, ওই ২৭ জনই রেলরক্ষী। খড়্গপুরে রেলের সিনিয়র ডিভিশনাল সিকিউরিটি কমিশনার বিবেকানন্দ নারায়ণ বলেন, “দিল্লিতে অস্ত্র নিতে গিয়েছিলেন ওই জওয়ানেরা। ১৪ এপ্রিল ফেরার পরে সকলেই কর্মস্থলে চলে গিয়েছিলেন। এর পরে বালেশ্বরে কর্মরত আমাদের এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হতেই তাঁর সংস্পর্শে থাকা সকলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে জানিয়েছি।” পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশচন্দ্র বেরাও মানছেন, ‘‘কয়েকজন রেলরক্ষী কোয়রান্টিনে রয়েছেন।’’ আর খড়্গপুরের অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস পাল বলেন, “আরপিএফের এক জওয়ান আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর সংস্পর্শে খড়্গপুরের যে ১৮জন এসেছিলেন, তাঁদের সকলের করোনা পরীক্ষা হবে।”





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck