করোনার কোপে এ বার এক রেলরক্ষী। পড়শি জেলা ওড়িশায় করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে তাঁর। তিনি ভর্তি আছেন কটকের করোনা হাসপাতালে। আর তাঁর সংস্পর্শে আসায় ২৭ জনকে পাঠানো হয়েছে নিভৃতবাস (কোয়রান্টিন) কেন্দ্রে। তার মধ্যে মঙ্গলবার ১৮জনকে খড়্গপুর শহরের নিউ সেটলমেন্টে পুরনো টিবি হাসপাতালের নিভৃতবাস কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আরও ৯ জনকে শালিমার, ঝাড়গ্রাম, সাঁতরাগাছি, মেচেদা-সহ খড়্গপুর রেল ডিভিশনের বিভিন্ন এলাকায় নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে। এ দিন খড়্গপুহরের নিভৃতবাস কেন্দ্রের ১৮জনের মধ্যে ৮জনের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয় করোনা পরীক্ষার জন্য।
সূত্রের খবর, ওই ২৭ জনই রেলরক্ষী। খড়্গপুরে রেলের সিনিয়র ডিভিশনাল সিকিউরিটি কমিশনার বিবেকানন্দ নারায়ণ বলেন, “দিল্লিতে অস্ত্র নিতে গিয়েছিলেন ওই জওয়ানেরা। ১৪ এপ্রিল ফেরার পরে সকলেই কর্মস্থলে চলে গিয়েছিলেন। এর পরে বালেশ্বরে কর্মরত আমাদের এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হতেই তাঁর সংস্পর্শে থাকা সকলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে জানিয়েছি।” পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশচন্দ্র বেরাও মানছেন, ‘‘কয়েকজন রেলরক্ষী কোয়রান্টিনে রয়েছেন।’’ আর খড়্গপুরের অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস পাল বলেন, “আরপিএফের এক জওয়ান আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর সংস্পর্শে খড়্গপুরের যে ১৮জন এসেছিলেন, তাঁদের সকলের করোনা পরীক্ষা হবে।”