কোয়ারেন্টাইনে থাকায় দাঁতনের সেই শিক্ষকের মৃতদেহ ভুবনেশ্বরেই দাহ

23rd April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
কোয়ারেন্টাইনে থাকায় দাঁতনের সেই শিক্ষকের মৃতদেহ ভুবনেশ্বরেই দাহ


খড়্গপুর: বাড়ির লোকজন কোয়ারেন্টাইনে থাকায় দাঁতনের সেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃতদেহ ভুবনেশ্বরেই দাহ করে দিতে বলল পরিবার। মঙ্গলবার সকালে ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়। তাঁর নাতি বলেন, হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, মাল্টি অর্গান ফেলিওর হয়ে দাদুর মৃত্যু হয়েছে। তবে ডেথ কার্টিফিকেটে করোনা নেগেটিভ লেখা আছে। মৃতের মেজো জামাই বলেন, ওঁর কোনও ছেলে নেই। পাঁচ মেয়ে। আমি কাছে থাকতাম, বাকিরা বাইরে থাকেন। এখন আমরা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে আছি। ওখানে যাওয়ার বা এখানে মৃতদেহ নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। ওখান থেকে এনিয়ে জানতে চেয়েছিল। আমরা ওখানেই মৃতদেহ দাহ করে দিতে বলেছি।
প্রসঙ্গত, মৃতের ব্রেন টিউমার অপারেশন হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে মেদিনীপুরের দু’টি বেসরকারি নার্সিংহোম হয়ে তাঁকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে স্ত্রী ও নাতি যান। সেখানে তাঁর নমুনা পরীক্ষা করে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই খবর আসার পর দাঁতনে তাঁর গ্রাম সিল করে দেওয়া হয়। দু’টি নার্সিংহোমের চিকিৎসক সহ কর্মীদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের নারায়ণগড়ের মকরামপুরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়। তবে সবার নমুনা পরীক্ষা করে করোনা নেগেটিভ পাওয়া যায়। মকরামপুর থেকে অনেককে ছেড়ে দেওয়াও হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও নাতিকেও ভুবনেশ্বর থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা এখন মকরামপুর কোয়ারেন্টাইন সেন্টারেই আছেন।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck