অন্তর্বর্তী ভাতা, পৌঁছল ৫ কোটি

27th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
অন্তর্বর্তী ভাতা, পৌঁছল ৫ কোটি


লকডাউন পরিস্থিতিতে ভাতা প্রাপকদের অন্তর্বর্তী ভাতা (এক্স- গ্রাসিয়া) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই মতো জেলায় এসে পৌঁছেছে প্রায় ৫ কোটি টাকা। এর ফলে উপকৃত হবেন প্রায় ১ লক্ষ ভাতা প্রাপক। ইতিমধ্যে জেলা থেকে টাকা ব্লকে পাঠানো হয়েছে। ব্লক থেকে ওই টাকা সরাসরি ভাতা প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। প্রথম পর্যায়ে অন্তর্বর্তী ভাতা হিসেবে ভাতা প্রাপকেরা ৫০০ টাকা করে পাবেন। এ ব্যাপারে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রয়োজনীয় নির্দেশও এসে পৌঁছেছে জেলায়। নির্দেশ মতোই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক প্রতিমা দাস মানছেন, ‘‘ওই এক্স- গ্রাসিয়ার টাকা জেলায় এসেছে। জেলা থেকে টাকা ব্লকে নামানো হয়েছে।’’ প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যে ভাতা প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্তর্বর্তী ভাতার টাকা পৌঁছে যাবে। ওই সূত্র জানাচ্ছে, লকডাউন পরিস্থিতিতে গরিব মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। ভাতা প্রাপকেরাও সমস্যায় রয়েছেন। তাঁদের হাতে নগদ অর্থের জোগান কমেছে। গরিব মানুষের কষ্টের কথা ভেবে মানবিকতার দিকটি বিবেচনা করেই অন্তর্বর্তী ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck