আসামে পুলিশের গুলিতে মৃত তিন আন্দোলনকারী

12th December 2019 ভারত
আসামে পুলিশের গুলিতে মৃত তিন আন্দোলনকারী


আসামঃ বুধবার রাজ্যসভায় নাগরিক সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে অসম। গতকালই আন্দোলন হিংসাত্মক আকার ধারণ করে সেখানে।পুলিশের গুলিতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে সেখানে। গুলিবিদ্ধ হয়ে à¦—ৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দু’জন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।  যার পর দফায় দফায় রাজ্যবাসীকে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরের নেতা-মন্ত্রীরা। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নিজেও টুইট করেন।

কিন্তু তাতেও বিক্ষোভ থামানো যায়নি। বরং কার্ফু ভেঙে সকাল হতেই রাস্তায় নামেন সাধারণ মানুষ। জ্বলন্ত কাঠ ফেলে জায়গায় জায়গায় রাস্তা অবরোধ করেন তাঁরা। সেই সঙ্গে চলতে থাকে সরকার বিরোধী স্লোগান। à¦›à¦¾à¦¬à§à§Ÿà¦¾à§Ÿ  বিজেপি বিধায়ক বিনোদ হাজারিকার à¦¬à¦¾à¦¡à¦¼à¦¿à¦¤à§‡ আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। তবে তাতে কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। ওই এলাকায় একটি সার্কল অফিসেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

আন্দোলনকারীরা ডিব্রুগড়ে à¦°à¦¾à¦·à§à¦Ÿà§à¦°à§€à§Ÿ স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি দফতরেও হামলা চালান বলে à¦…ভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের। দফতরের বাইরে বেশ কয়েকটি গাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি তাঁদের।বিক্ষোভ হিংসাত্মক আকার ধারণ করায় গত কাল থেকেই অবরুদ্ধ অসম। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে à¦¸à§‡à¦–ানে।  প্রভাব পড়েছে সড়ক, রেল এবং বিমান পরিবহণেও

 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck