সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দেশ জারি কেন্দ্রের

13th December 2019 ভারত
সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দেশ জারি কেন্দ্রের


বাংলা নিউজঃ দেশের সংবাদ মাধ্যমকে নিজেদের নিয়ন্ত্রনে রাখতে চায় কেন্দ্র । 

দেশ-বিরোধী ভাবনাকে যা প্রশ্রয় দেয়— এমন কিছু সম্প্রচার না-করার জন্য টিভি চ্যানেলগুলিকে গত রাতে চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। দেশের অখণ্ডতাকে আঘাত করার মতো কোনও বিষয়ও যাতে সম্প্রচারিত না হয়, তা-ও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে তাদের। 

আচমকা এমন নির্দেশিকায় সংবাদ জগতের পাশাপাশি চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও। কারণ, ‘দেশ-বিরোধী’ বা ‘অখণ্ডতাকে আঘাত করার মতো বিষয়বস্তু’ বলতে কেন্দ্র ঠিক কী বলছে, চিঠিতে তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে উত্তর-পূর্ব-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিবাদের ছবিটা যাতে ঠিকমতো বোঝা না-যায়, ঘুরপথে আসলে তা-ই নিশ্চিত করতে এই নির্দেশিকা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিশেষত ওই বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অসম ও ত্রিপুরার পরিস্থিতি যখন ইতিমধ্যেই অগ্নিগর্ভ। সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ । পুলিশের গুলিতে মৃত ৫ জন ।  নিউজ চ্যানেলকে সেখানকার সঠিক নিউজ না দেওয়ার বার্তা কি দিচ্ছেন মোদী সরকার ?





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck