CAA আন্দোলনের মাঝেই ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে প্রথমে অবরোধ , তারপর রান্না করে খাওয়ানো হল অবরুদ্ধ জনগণকে ।

15th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
CAA আন্দোলনের মাঝেই ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে প্রথমে অবরোধ , তারপর রান্না করে খাওয়ানো হল অবরুদ্ধ জনগণকে ।


 বাংলা নিউজঃ উত্তর ২৪ পরগণার আমডাঙা-কামদেবপুরের   ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে কার্যত পিকনিকে মাতলেন বিক্ষোভকারীরা। তবে এই আয়োজন আনন্দ উদযাপনের জন্য নয়। অন্যভাবে প্রতিবাদ করতেই রাস্তা আটকে রান্নার ব্যবস্থা করলেন বিক্ষোভকারীরা। রাস্তাতেই হল রান্না, পাত পেড়ে খেলেন বিক্ষোভকারীরাই।

৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া আমডাঙা-আওয়ালসিদ্দি-কামদেবপুরে শনিবার থেকেই চলছে দফায় দফায় বিক্ষোভ। রাজ্যের অন্য এলাকার মতোই রবিবার সকালেও গাছের গুঁড়ি জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। তবে অবরোধকারীরা কখনোই মারমুখী ছিলেন না। অবরোধে আটকে প়ড়ে কয়েকশো ট্রাক, বাস, গাড়ি।

দুপুর গড়ানোর আগেই হঠাৎ দেখা যায় মোটর ভ্যানে চাপিয়ে কয়েক ডজন বিরিয়ানি তৈরি করার বিশাল বিশাল হাঁড়ি চলে আসে কামদেবপুরের মোড়ে, জাতীয় সড়কের উপরে। খানিকক্ষণের মধ্যেই ভ্যানে করে আনা হয় বেশ কয়েক বস্তা মিষ্টি কুমড়ো, ফুলকপি, মূলো,সিমের মতো আনাজ।রান্না শেষে রাস্তার উপরই পাত পেড়ে খাওয়াদাওয়া করেন কয়েকশো মানুষ। কার্যত প্রতিবাদ জানাতেই এই পন্থা বলে জানান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের কথায়, সকলের ইচ্ছেয় চাঁদা তুলে রাস্তা বসে এই খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। ধর্ম নির্বিশেষেই বহু সকল মানুষ এই প্রতিবাদে যোগ দিয়েছেন।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck