দীঘা ও শঙ্করপুরের মৎসজীবীরা ভয়ংকর সংকটে

8th May 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
 দীঘা ও শঙ্করপুরের মৎসজীবীরা ভয়ংকর সংকটে


 

পেটুয়া মৎস্য বন্দর এবং শঙ্করপুরে ট্রলার কিংবা লঞ্চ তৈরি এবং মেরামত করা হয়।।ট্রলার, লঞ্চ তৈরি বা মেরামতি এখনও শুরুই করতে পারেননি অধিকাংশ ট্রলার মালিক।মৎস্যজীবীরা নতুন মরসুমেও সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।লকডাউন চলায় এবছর সেই কাজ ঠিকমতো শুরুই হয়নি। কোথাও কোথাও কাজ হলেও তা খুবই মন্থর গতিতে চলছে। মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে যে গত à§§à§« এপ্রিল থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া যাবে না বলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র সরকার। প্রতি বছর ওই নিষেধের জেরে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। ওই সময়ে মৎস্য বন্দর সংলগ্ন এলাকায় ট্রলার এবং লঞ্চ তৈরি এবং মেরামতের কাজ হয়। এবছর করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন চলাকালীন সেই কাজ একদমই গতি হারিয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরে দিঘা মোহনা এবং পেটুয়া মৎস্য বন্দর থেকে তিন হাজারের বেশি ট্রলার সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়।দিঘা মোহনা ফিশারমেন অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস বলেন, ‘‘গত মরসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৎস্যজীবীরা অধিকাংশ সময় সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেননি। তারপর করোনার প্রভাবে মাছ ধরার ‘ব্যান পিরিয়ড’-এর আগে থেকেই ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। নতুন মরসুমে ট্রলারগুলি সমুদ্রে যাওয়ার আগে মেরামত কিংবা নতুনভাবে তৈরি করা যাচ্ছে না। ব্যাঙ্ক থেকে প্রয়োজনীয় ঋণ পেতেও অসুবিধা হচ্ছে মতসজীবিদের। এই অবস্থায় ট্রলার মালিক থেকে মৎস্যজীবীরা চরম সঙ্কটে পড়েছেন।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck