মেদিনীপুর জেলায় আবারও করোনায় আক্রান্তঃ৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

10th May 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
মেদিনীপুর জেলায় আবারও করোনায় আক্রান্তঃ৮ জন কোয়ারেন্টাইনে


মেচেদার এক ব্যাঙ্ককর্মী করোনা আক্রান্ত হন।করোনা আক্রান্ত মেচেদার ব্যাঙ্ককর্মীর চিকিৎসা করায় তমলুক জেলা হাসপাতালের এক ডাক্তার, দু’জন নার্স সহ মোট আটজনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল। পাশাপাশি সার্জিক্যাল ওয়ার্ডটি আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার ওই ওয়ার্ড জীবাণুমুক্ত করার পর খোলা হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। গত বুধবার মেচেদায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় জখম হন এক মহিলাকর্মী। তিনি ওই ব্যাঙ্কের হেড ক্যাশিয়ার।
এরপর তাঁকে তমলুক জেলা হাসপাতালে আনা হয়। কিছুক্ষণ হাসপাতালে ছিলেন। পরে তাঁকে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ওই ব্যাঙ্ককর্মীর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরই শুক্রবার তমলুক জেলা হাসপাতালের একজন ডাক্তার, দু’জন নার্স, নিরাপত্তারক্ষী, জিডিএ সহ মোট আটজনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck