১০ জুন কি খুলবে না স্কুল ?

12th May 2020 পশ্চিমবঙ্গ
১০ জুন কি খুলবে না স্কুল ?


এখনই স্কুল না খোলার ব্যাপারেই সওয়াল করছে শিক্ষকমহল। এখনও পর্যন্ত ঠিক আছে, ১০ জুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুলবে। কিন্তু তার সঙ্গে স্কুলগুলি খুলে দিলে রাজ্যের কমবেশি এক কোটি ছাত্রছাত্রী বিপদের মুখে পড়বে বলেই মনে করছেন শিক্ষকরা।যদি ক্লাসে ৬০ জন ছাত্রছাত্রী আসে তবে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তিন ফুট দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব নয়। কারন বেঞ্চগুলিতে ২ জন করে বসালে পর্যাপ্ত বেঞ্চ পাওয়া সম্ভব নয়। উপস্থিতির হার তার চেয়ে বেশি হলে কয়েক ইঞ্চি দূরত্বও থাকবে না। তাছাড়া, স্কুল স্যানিটাইজ করা আর অফিস-কাছারি স্যানিটাইজ করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। স্কুলের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। এদিকে, বহু স্কুলে সাফাইকর্মীই নেই। কোনও কোনও স্কুল নিজেদের তহবিল থেকে চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ দিয়ে সাফাইকর্মী আনে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে তো সেই অর্থে সাফাইকর্মী পদই নেই। তাই স্যানিটাইজেশন একটা মাথাব্যথার কারণ হবে। অন্যান্য পরিচ্ছন্নতা বিধিও কঠোরভাবে মেনে চলা বেশ কঠিন। প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক নবকুমার কর্মকার বলেন, মনে হয় না ১০ জুন স্কুলগুলি খোলা সম্ভব হবে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাটা অন্য। ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা তথা পেশাদারি কেরিয়ারের পুরোটাই পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। স্কুলের ক্ষেত্রে সেই ব্যাপারটা নেই। তাই এ ব্যাপারে তাড়াহুড়োরও প্রয়োজন নেই। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা অনেকটাই ছোট। তাই তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিশেষ যত্নবান হতে হবে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck