১৫২১জন যাত্রী নিয়ে খড়্গপুরের হিজলি স্টেশনে পৌঁছল শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন।

14th May 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
১৫২১জন যাত্রী নিয়ে খড়্গপুরের হিজলি স্টেশনে পৌঁছল শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন।


ভেলোর থেকে ১৫২১জন যাত্রী নিয়ে বুধবার বিকেলে খড়্গপুরের হিজলি স্টেশনে পৌঁছল শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। ভিন রাজ্য থেকে আসা প্রত্যেক যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তাঁদের যাবতীয় তথ্যও নথিভুক্ত করা হয়।এদিনের ট্রেনে পূর্ব মেদিনীপুরের ৩১০জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০৮, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৯৫, হুগলির ১৭৮, কলকাতার ১৪৯, বাঁকুড়ার ৭৫, পুরুলিয়ার ৬৪, দার্জিলিংয়ের ৪৪, উত্তর ২৪ পরগনার ৪২, কোচবিহারের ৩৯, পশ্চিম বর্ধমানের ৩৫, নদীয়ার ৩২, জলপাইগুড়ির ২৫, পূর্ব বর্ধমানের ২৩, মুর্শিদাবাদের ২২, মালদহের ১৮, আলপুরদুয়ারের ১৩, হাওড়ার ১২, বীরভূমের ১২ ও ঝাড়গ্রামের তিনজন যাত্রী ছিলেন। রেলের সিনিয়র ডিসিএম আদিত্যবাবু বলেন, এঁদের মধ্যে যেমন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা আছেন, তেমনই আছেন শ্রমিকরাও।

সকলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। যাবতীয় তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। এই সব তথ্য ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট আমরা সংশ্লিষ্ট জেলার ডিএমদের কাছে পাঠিয়ে দেব। তিনি বলেন, যাঁদের করোনা উপসর্গ আছে, তাঁদের বিদ্যাসাগর শিল্পতালুকে নিয়ে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমস্ত যাত্রী যাতে সুষ্ঠভাবে নিজের নিজের জেলায় পৌঁছাতে পারেন, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck