লকডাউন ৪- কোথায় ছাড়, কোথায় নয়?

18th May 2020 9:27 am ভারত
 লকডাউন ৪- কোথায় ছাড়, কোথায় নয়?


সোমবার থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে চতুর্থ দফার লকডাউন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চতুর্থ দফায় ১৪ দিন দেশবাসীকে গৃহবন্দি থাকতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এই সময়ের মধ্যে কী করা যাবে, কী যাবে না, কী খোলা থাকবে, কী থাকবে না তা বিস্তারিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
  বন্ধ থাকছে
 বিমান ও মেট্রো রেল চলাচল। শ্রমিক ও প্যাসেঞ্জার স্পেশাল ছাড়া অন্য সব ট্রেন
 স্কুল, কলেজসহ, সবরকম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টিউটোরিয়াল, কোচিং ইনস্টিটিউট
 হোটেল, রেস্তরাঁ। বাস টার্মিনাস, রেল স্টেশন, এয়ারপোর্টের ক্যান্টিন ও দোকান। রেস্তরাঁ খুলবে শুধু হোম ডেলিভারির জন্য
 স্টেডিয়াম, স্পোর্টস কমপ্লেক্স খোলার অনুমতি। তবে কোনও দর্শক উপস্থিত থাকতে পারবে না।
 অনুমোদন নয় সামাজিক, ধর্ম, সংস্কৃতি, বিনোদন, রাজনৈতিক, ক্রীড়া, শিক্ষা, সংক্রান্ত সমাবেশে। বন্ধ ধর্মীয় স্থল, মন্দির
 রাতের যাতায়াত। সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে নয়

চালু হচ্ছে
 আন্তঃরাজ্য বাস ও যাত্রী পরিবহণ (রাজ্যগুলির মধ্যে আলোচনাক্রমে)
 রাজ্যের অভ্যন্তরে বাস ও যাত্রীবাহী যান চলাচল (রাজ্যের সিদ্ধান্ত ক্রমে)
 বিবাহ অনুষ্ঠান, ৫০ জন অতিথি নিয়ে। অন্ত্যেষ্টিতে সর্বাধিক ২০ জন





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck