টাকা ছিনতাই এর কিনারা করলো পুলিশ

22nd December 2019 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
টাকা ছিনতাই এর কিনারা করলো পুলিশ


বাংলা নিউজঃ গত à§§à§® ডিসেম্বর বিকেলে খড়্গপুর গ্রামীণের রূপনারায়ণপুরের কাছে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে ১০ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। কলকাতার পরিবহণ সংস্থার মালিক অভিষেক জিন্দল গ্রামীণ থানায় অভিযোগে জানান, সংস্থার খড়্গপুরের সাদাতপুরে একটি অফিস রয়েছে। সেই অফিসে শ্রমিক, খালাসিদের বেতনের জন্য বেলদায় তাঁর পরিচিতের থেকে বাইকে টাকা নিয়ে আসছিল সংস্থার ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম। বাইক চালাচ্ছিলেন আরেক কর্মী শেখ সিরাজ। রূপনারায়ণপুরের কাছে এসে আমিনুল দাবি করেন, তাঁর হাতে থাকা ১০ লক্ষ টাকার ব্যাগ ছিনতাই করে পালাচ্ছে অন্য এক বাইক আরোহী। হাতে থেকে যায় ব্যাগের স্ট্র্যাপ। ম্যানেজারের নামে লিখিত অভিযোগ না করলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন মালিক অভিষেক। 

পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রামীণ থানার ওসি আসিফ সানির নেতৃত্বে শুরু হয় তদন্ত। সন্দেহ হয় তদন্তকারীদেরও। কারণ চলন্ত বাইক থেকে ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার সময় স্ট্র্যাপ ছিড়ে থাকলে বাইক দুর্ঘটনা হওয়ার কথা। গত দু’দিন ধরে জেরা করা হয় সিরাজ ও আমিনুলকে। সিরাজ জানান, ছিনতাই হতে তিনি দেখেনি। মাঝপথে আমিনুল  কয়েকবার বাইক দাঁড় করাতে বলেন। তখনই  ছিনতাইয়ের কথা জানান। à¦†à¦®à¦¿à¦¨à§à¦²à§‡à¦° কথায় অসঙ্গতি পায় পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেরার মুখে ভেঙে পড়েন আমিনূল। জানা যায়, দিন কয়েক আগে বাড়ি গিয়েছিলেন তিনি। তখনই বন্ধু শেখ আব্বাস তাঁকে এই ছিনতাইয়ের পরিকল্পনার কথা বলেন। সেই মতো ঘটনার দিন অন্য বাইকে থাকা আব্বাসকে টাকার ব্যাগ দিয়ে দেন আমিনুল। এ কথা জানার পরে আর দেরি করেনি পুলিশ। শুক্রবার রাতেই বীরভূমে পৌঁছয়  পুলিশ। শেখ আব্বাসের বাড়িতে হানা দিয়ে উদ্ধার হয় ছিনতাইয়ের টাকা। 

 





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck