NRC নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয় নি , মোদীর কথা সঠিক ,নিজেকে মিথ্যাবাদী বানিয়ে দিলেন শাহ

25th December 2019 ভারত
NRC নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয় নি , মোদীর কথা সঠিক ,নিজেকে মিথ্যাবাদী বানিয়ে দিলেন শাহ


নিউজ ডেস্কঃ  আগে সংসদে বহুবার অমিত শাহ বলেছিলেন, দেশজুড়ে এনআরসি হবে। বাংলায় সভা করতে এসেও এনআরসির জুজু দেখিয়েছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও দেশজুড়ে এনআরসির কথা ঘোষণা করেছেন। তারপর বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণের জেরে রবিবার এনআরসি ইস্যুতে পিছু হটেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবিকে পক্ষান্তরে খণ্ডন করেন নরেন্দ্র মোদি। এদিন সংবাদ সংস্থাকে অমিত শাহ বলেন, ‘দেশজুড়ে এনআরসি হচ্ছে না এখন। তাই এই নিয়ে আর কোনও আলোচনার প্রশ্নই নেই। প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলছেন, সংসদ বা মন্ত্রিসভার বৈঠকে কখনও এনআরসি নিয়ে আলোচনা হয়নি।’ একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভা এনপিআর বা ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টারের জন্য সিলমোহর দিয়েছে। এনপিআরের সঙ্গে এনআরসির কোনও সম্পর্ক নেই। এনপিআরের তথ্য এনআরসির জন্য ব্যবহার করা হবে না বলে আশ্বস্তও করেছেন।

মোদিই ঠিক। দেশের সর্বত্র জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) করা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ঝাড়খণ্ডে গোহারা হেরে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল চাপের মুখে পিছু হটে একথা জানালেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর আগে অবশ্য দেশজুড়ে এনআরসি হবে বলেই দাবি করেছিলেন তিনি। কিন্তু গত রবিবার দিল্লির জনসভায় ভিন্ন সুর শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়। মোদি বলেছিলেন, সারা দেশে এনআরসি করা নিয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি। যার পরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। ছড়ায় নানান জল্পনা। তীব্র আক্রমণে নামেন বিরোধীরাও। মোদির ভাষণের দু’দিনের মধ্যেই নিজের অবস্থান থেকে সরে এলেন অমিত শাহ। জানিয়ে দিলেন, দেশজুড়ে এনআরসি চালুর বিষয়ে সংসদ বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এখনও পর্যন্ত কোনও আলোচনা হয়নি। সঙ্গে আরও বলেছেন, জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জি (এনপিআর) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) মধ্যেও কোনও সম্পর্ক নেই।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck