সাতদিনে কলকাতা আগের মত হবে - ফিরহাদ

23rd May 2020 2:54 pm পশ্চিমবঙ্গ
সাতদিনে কলকাতা আগের মত হবে - ফিরহাদ


কলকাতা: ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কার্যত লণ্ডভণ্ড শহর কলকাতা। উপড়ে গিয়েছে একের পর এক গাছ। ভেঙেছে বাতিস্তম্ভ। জল নেই, বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে শহরবাসীর কাছে সাতদিন সময় চাইলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।
তাঁর আশ্বাস, ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এলে শহরকে আবার সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হবে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহর সাফাইয়ের কাজে নেমেছে পুরসভা। কিন্তু শুক্রবারেও তাণ্ডবের ছবি খুব একটা বদলায়নি। উল্টে শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে জল, আলোর দাবিতে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে জনতা। শুক্রবার, পরিস্থিতি সামলাতে সিইএসসি, ট্রাফিক পুলিস, বিপর্যয় মোকাবিলা, পুরসভার বিদ্যুৎ, উদ্যান, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিল্ডিং দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। পরে তিনি জানান, ছোট-বড় মিলিয়ে সাড়ে পাঁচ হাজার গাছ পড়েছে। আড়াই হাজার বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গিয়েছে। দ্রুত পরিষ্কারের কাজ চলছে। তাঁর কথায়, আইলার পর কলকাতা নিজস্ব ছন্দে ফিরেছিল ২০ দিন পর। সেই জায়গায় আমরা সাতদিন সময় নিচ্ছি। দ্রুত গাছ কাটার জন্য আরও ১০০টি ইলেকট্রনিক মেশিন নামানো হচ্ছে।
পুর প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে সিইএসসি, কেবল অপারেটর সঙ্গেও কথা বলেছি। যেসব জায়গায় গাছ পড়েছে, সেখানে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে বাকি জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যাতে পাম্প চালিয়ে কিছু মানুষের জলের চাহিদা মেটানো যায়।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck