খড়গপুরে করোনায় আক্রান্ত তরুণী

24th May 2020 9:39 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়গপুরে করোনায় আক্রান্ত তরুণী


খুলেছে বাজার। উপচে পড়ছে ভিড়। আসছে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। বহু ক্ষেত্রেই শিকেয় উঠেছে করোনা বিধি। এই আবহেই ফের রেলশহরে করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল। এবার কোপে এক তরুণী।

শুক্রবার রাতে খড়্গপুরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের আয়মার ওই তরুণীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। বছর উনিশের তরুণী গত à§§à§®.মে থেকে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্টের উপসর্গে ভুগছিলেন। গত ২০মে তাঁকে খড়্গপুর রেলের প্রধান হাসপাতালের ফিভার ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। উপসর্গ থাকায় করোনা পরীক্ষার জন্য ২১মে নেওয়া হয় লালারসের নমুনা। সেই রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। শনিবার ওই তরুণীকে পাঁশকুড়ার করোনার লেভেল-à§© বড়মা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তাঁর বাবা রেল কারখানায় কর্মরত হলেও থাকেন পুর এলাকায়। 

এই ঘটনার পরে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে রেল ও রাজ্য প্রশাসনে। তরুণীর বাবা, মা, ভাই, পিসির পরিবার, ভাড়া বাড়ির মালিকের পরিবারের সদস্য-সহ প্রায় ২৬জনকে নিভৃতবাস কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি তরুণীর পাড়ার ৩৭টি পরিবারের ১২০জন বাসিন্দাকে গৃহ পর্যবেক্ষণে থাকতে বলা হয়েছে। এলাকাটি গণ্ডিবদ্ধ হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়েছে। খড়্গপুরের মহকুমাশাসক বৈভব চৌধুরী বলেন, “ওই তরুণী কী ভাবে আক্রান্ত হলেন সেই সূত্রের খোঁজ চলছে। আপাতত ওঁর পরিজন-সহ সংস্পর্শে আসা সকলকে নিভৃতবাস কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এলাকাটি কন্টেনমেন্ট জ়োন করা হয়েছে।”





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck