ভলান্টিয়ারের হাত দিয়ে দুর্গতদের হাতে সরাসরি ত্রাণ পাঠাচ্ছেন শুভেন্দু

27th May 2020 4:09 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
ভলান্টিয়ারের হাত দিয়ে দুর্গতদের হাতে সরাসরি ত্রাণ পাঠাচ্ছেন শুভেন্দু


তমলুক: মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উম-পুন বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুর্গতদের হাতে সরাসরি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। এই কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে করা যায় তার জন্য বিভিন্ন কলেজের ২০০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে ভলান্টিয়ার টিম তৈরি করেছেন। মঙ্গলবার সেই ভলান্টিয়াররা রামনগর-à§§ ও ২, কাঁথি-à§§ এবং নন্দীগ্রাম-à§§ ও ২ব্লকের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে পলিথিনসিট তুলে দেন। আগামী দিনে ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে খেজুরি-à§§ ও ২, দেশপ্রাণ, কাঁথি শহর, কাঁথি-à§©, হলদিয়া, সুতাহাটা ও মহিষাদল এলাকায় এক লক্ষ ত্রিপল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়াও সুপার সাইক্লোনের ছ’দিন পরেও যাঁরা ঘরে ফিরতে পারেনি এমন ৮১০০টি পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তাতে পাঁচ দিনের রসদ আছে। মঙ্গলবার এরকম ৪০০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ত্রাণ ও ত্রিপল বণ্টনে যাতে কোনও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ না ওঠে, সেজন্যই মন্ত্রী ভলান্টিয়ারদের নিযুক্ত করেছেন। সরাসরি দুর্গতদের হাতে ত্রাণ পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে, শুভেন্দুবাবু বলেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত চিহ্নিত করে তাঁদের হাতে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্যই স্বেচ্ছাসেবকদের কাজে লাগানো হয়েছে। তিনি বলেন, সাইক্লোনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার জন্য রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল দল সর্বাত্ম চেষ্টা চালাচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে আমিও সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। এত বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck