২০২০ সালের প্রথম দিনে শিশু জন্মের নিরিখে চিনকে টপকে শীর্ষে ভারত

2nd January 2020 ভারত
২০২০ সালের  প্রথম দিনে শিশু জন্মের নিরিখে চিনকে টপকে শীর্ষে ভারত


নিউজ ডেস্কঃ ২০২০-র প্রথম দিনে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যায় সব দেশকে টপকে গেল ভারত। ওই দিন ভারতে জন্ম হয়েছে ৬৭ হাজারেরও বেশি শিশুর। ২১ হাজারের মতো কম সংখ্যক সদ্যোজাত নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে চিন । তালিকা প্রকাশ করল ইউনিসেফ।

প্রতি বছরই ইংরেজি নতুন বছরের শুরুর দিন সারা বিশ্বে জন্ম নেওয়া শিশুদের তালিকা তৈরি করে ইউনিসেফ। এ বছর আবার নতুন দশকে পদার্পণ করল বিশ্ব। সেই দিক থেকে নয়া দশকের প্রথম সন্তানদের স্বাগত জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। ইউনিসেফের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েটা ফোরে বলেন, ‘‘নতুন বছর ও নয়া শতকের সূচনা শুধু আমাদের ভবিষ্যতের প্রত্যাশার দিকে নজর দেওয়ার সুযোগ নয়, আমাদের নয়া প্রজন্মের ভবিষ্যৎও বটে। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে যেই জানুয়ারি হয়ে যায়, ওই দিন জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত হই।’ ইউনিসেফের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ২০২০ সালের পয়লা জানুয়ারি সারা বিশ্বে মোট তিন লক্ষ ৯২ হাজার ৭৮টি শিশুর জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে ভারতে নবজাতকের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩৮৫। দ্বিতীয় স্থানে থাকা চিনে এই সংখ্যা ৪৬,২৯৯। ভারত, চিনের পর তালিকায় ক্রমান্বয়ে রয়েছে নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, আমেরিকা, কঙ্গো, ইথিওপিয়ার মতো দেশ। উল্লেখযোগ্য ভাবে মোট জন্ম নেওয়া শিশুদের মধ্যে অর্ধেক শিশুরই জন্ম হয়েছে এই আটটি দেশে।

ইউনিসেফের অনুমান, ২০১৯ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা অন্তত ২৭ কোটি ৩০ বাড়তে পারে। অন্য দিকে নাইজেরিয়ায় বাড়তে পারে আরও ২০ কোটি। সারা বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ২৩ শতাংশই হতে পারে এই দু’টি দেশে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck