আর্থ-সামাজিক অবস্থা চাঙ্গা করতে কি কি পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী

2nd June 2020 পশ্চিমবঙ্গ
আর্থ-সামাজিক অবস্থা চাঙ্গা করতে কি কি পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী


বিজেপির অপপ্রচারে মমতা ব্যনার্জী নাজেহাল।কিন্ত তিনি চান মধ্যবিত্ত ও গরিবরা যাতে হাতে টাকা পায়।তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ব্যবস্থা নিলেন মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, রাজ্যে জীবন-জীবিকা দ্রুত স্বাভাবিক হোক। গত দু’মাসে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক অবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। হকার, দোকানদার, অটো, টোটোচালক, পরিবহণ শ্রমিক, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের আয় যেমন প্রায় বন্ধ, তেমনি আবার রাজ্য সরকারের আয়ও থমকে গিয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আজ সোমবার থেকেই ছোট, মাঝারি, ক্ষুদ্র ও বৃহৎ শিল্প, খনিজ ও আবাসন ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু হোক। ঠিক যত আসন আছে, ততজন যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করবে বলেও নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য। পাশাপাশি সব ধর্মীয় স্থান সংশ্লিষ্ট থানার অনুমতি নিয়ে খুলে যাচ্ছে। হকারদেরও একদিন অন্তর একদিন বসার অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। তবে তা কোন নিয়মে হবে, তার জন্য পরিকল্পনা করতে পুলিসকে জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে হোটেল à§® তারিখ থেকে চালু হবে। বেশ কিছুদিন ধরেই গ্রামীণ এলাকায় কাজকর্ম জোরদারভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চান, গ্রামের মানুষের হাতে এই দুর্দিনে কিছু টাকা পৌঁছে যাক, সেই কারণেই তিনি ১০০ দিনের কাজ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা, বাংলার আবাস যোজনার মত প্রকল্পে গুরুত্ব দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ন’টি জেলার পুনর্গঠনেও ১০০ দিনের কাজে যুক্ত কর্মীদের নিয়োগ করার জন্য পঞ্চায়েত দপ্তরকে বলা হয়েছে।

দিলিপ ঘোষ বারবার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আসছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিন্তু কথায় আছে “হাতি চলে বাজার কুত্তা ভোকে হাজার”

বিজেপির অপপ্রচারে মমতা ব্যনার্জী নাজেহাল।কিন্ত তিনি চান মধ্যবিত্ত ও গরিবরা যাতে হাতে টাকা পায়।তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ব্যবস্থা নিলেন মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, রাজ্যে জীবন-জীবিকা দ্রুত স্বাভাবিক হোক। গত দু’মাসে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক অবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। হকার, দোকানদার, অটো, টোটোচালক, পরিবহণ শ্রমিক, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের আয় যেমন প্রায় বন্ধ, তেমনি আবার রাজ্য সরকারের আয়ও থমকে গিয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আজ সোমবার থেকেই ছোট, মাঝারি, ক্ষুদ্র ও বৃহৎ শিল্প, খনিজ ও আবাসন ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু হোক। ঠিক যত আসন আছে, ততজন যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করবে বলেও নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য। পাশাপাশি সব ধর্মীয় স্থান সংশ্লিষ্ট থানার অনুমতি নিয়ে খুলে যাচ্ছে। হকারদেরও একদিন অন্তর একদিন বসার অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। তবে তা কোন নিয়মে হবে, তার জন্য পরিকল্পনা করতে পুলিসকে জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে হোটেল à§® তারিখ থেকে চালু হবে। বেশ কিছুদিন ধরেই গ্রামীণ এলাকায় কাজকর্ম জোরদারভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চান, গ্রামের মানুষের হাতে এই দুর্দিনে কিছু টাকা পৌঁছে যাক, সেই কারণেই তিনি ১০০ দিনের কাজ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা, বাংলার আবাস যোজনার মত প্রকল্পে গুরুত্ব দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ন’টি জেলার পুনর্গঠনেও ১০০ দিনের কাজে যুক্ত কর্মীদের নিয়োগ করার জন্য পঞ্চায়েত দপ্তরকে বলা হয়েছে।

 





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck