JNU এর ছাত্র ছাত্রীদের পাশে থেকে দেশের মোদি সরকারের অত্যাচার এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান নায়িক দীপিকা পাড়ুকোন

8th January 2020 ভারত
 JNU এর ছাত্র ছাত্রীদের পাশে থেকে দেশের মোদি সরকারের অত্যাচার এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান নায়িক দীপিকা পাড়ুকোন


বাংলা খবরঃ  সাহসী দীপিকা পাডুকন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল।আপনি একজন সত্যিকারের নায়িকা। JNU এর ছাত্র ছাত্রীদের পাশে থেকে দেশের মোদি সরকারের অত্যাচার এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। তাঁর মতে, ‘মানুষ ভয়কে জয় করে যেভাবে রাস্তায় নামছেন, তা সত্যিই অসাধারণ।’
দিল্লিতে নিজের আসন্ন ছবি ‘ছপাক’-এর প্রচারে গিয়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি থেকে জেএনইউয়ের ঘটনা, সব কিছু নিয়েই নিজের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদ করলেন ৩৪ বছরের অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘ভীতসন্ত্রস্ত না থেকে আমরা জোর গলায় নিজেদের বক্তব্য জানাচ্ছি-এটাই আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের। রাস্তায় নেমে মানুষের প্রতিবাদের ছবি দেখে একটাই কথা আমার মনে হয়েছে, সবাই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবচ্ছেন। যদি আমরা দেশ বা সমাজে পরিবর্তন চাই, তাহলে প্রতিবাদের ভাষা আরও জোরালো করতে হবে। এটা খুবই জরুরি।’ ছবির পরিচালক মেঘনা গুলজারও একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সামাজিক জীব। আমাদের এই সমাজেই থাকতে হবে। তাই আমরা প্রতিবাদ করছি। চারিদিক যা ঘটছে, তা দেখে আমি অত্যন্ত ব্যথিত, মর্মাহত, চিন্তিত।’

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় প্রকাশ্যে ছাত্র–ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন। মঙ্গলবার হঠাৎই জেএনইউয়ে চলে আসেন প্রকাশ কন্যা। ঠায় দাঁড়িয়ে শোনেন কানহাইয়াদের বক্তব্য। কথা বলেন আহত, মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে বসে থাকা ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষের সঙ্গেও। আর এভাবে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানো, সত্যিটা বলারই বোধহয় এবার মূল্য চোকাতে হবে তাঁকে। দীপিকার জেএনইউয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতে না আসতেই তাঁর আসন্ন সিনেমা ‘‌ছপক’ বয়কটের ডাক দিয়ে বসলেন এক বিজেপি নেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইটও করলেন। এছাড়াও ইতিমধ্যে ‌
কিন্তু এর জন্যই ‌সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং #BoycottChhapak হ্যাশট্যাগ। যা দেখে সাধারণ নেটিজেনরা বলতে শুরু করেছেন, ‘‌সবই বিজেপির আইটি সেলের কামাল’‌।
এদিন দীপিকার জেএনইউ যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই টুইট করেন দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র তাজিন্দর পাল সিং বগ্গা। লেখেন, ‘‌যদি আফজল গ্যাং এবং টুকরে টুকরে গ্যাং–কে সমর্থন করার জন্য আপনি যদি দীপিকার সিনেমা বয়কট করেন, তাহলে আপনি ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ অর্থাৎ বিজেপির বিপক্ষে গিয়ে কানহাইয়া–ঐশীদের সমর্থন জানাতেই এবার দীপিকার সিনেমা বয়কটে সোচ্চার হলেন খোদ বিজেপিরই মুখপাত্র। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিজেপির একাধিক সদস্য দীপিকার সিনেমা বয়কটের ডাক দিয়েছেন। যা নিয়ে পাল্টা সমালোচনা নেটিজেনদের গলাতেও। 
এর আগে জেএনইউয়ের ঘটনায় মুখ খুলে দীপিকা বলেছিলেন, ‘‌ভাল লাগছে এইটা দেখে যে আমরা এখনও ভয় পাইনি। আমি এখনও মত প্রকাশ করতে ভয় পাই না। দলে দলে মানুষ নিজের মত প্রকাশ করতে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেন, স্বর চড়াচ্ছেন, যা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জীবনকে আরও সুখ ও স্বাধীনতা এনে দেবে।’‌‌





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck