২১ জুনের সূর্যগ্রহণ শেষ করবে করোনাকে দাবী বিজ্ঞানীদের

20th June 2020 8:25 pm ভারত
২১ জুনের সূর্যগ্রহণ শেষ করবে করোনাকে দাবী বিজ্ঞানীদের


রবিবার ২১ জুন ২০২০ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে। এই সূর্যগ্রহণ একটু আলাদা। এর কারণ বছরের সবচেয়ে বড়দিন ২১ জুন তারিখে এবছর সূর্যগ্রহণ হচ্ছে। একইসঙ্গে এই সূর্যগ্রহণকে রিং অফ ফায়ার বলেও সম্বোধন করা হচ্ছে। এই বছরে পরপর অনেকগুলো সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে  à¦ªà§à¦°à¦¾à¦¯à¦¼ à§« বার সূর্যগ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কীভাবে গ্রহণ চলবে ?

গ্রহণ শুরু হওয়ার সময়- ২১ জুন সকাল ৯.১২ মিনিটে।প্রথম পূর্ণ গ্রহণ যখন থেকে শুরু হবে- ১০.১৭ মিনিট।পুরোপুরি সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে- দুপুর ১২.১০ মিনিট।যতক্ষণ দেখা যাবে সূর্যগ্রহণ- দুপুর ২.০২ মিনিট গ্রহণ কেটে যাবে- দুপুর ৩.০৪ মিনিটে।

কোন কোন রাজ্য থেকে দেখা যাবে ?

শুধু কলকাতা নয় রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, হিমাচলপ্রদেশ ইত্যাদি রাজ্যগুলি থেকেও এই আংশিক সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

করোনা শেষ হবে কি?

চেন্নাইয়ের নিউক্লিয়ার অ্যান্ড আর্থ সায়েনটিস্ট ডঃ কে এল সুন্দর কৃষ্ণার  à¦¦à¦¾à¦¬à¦¿ সূর্যগ্রহণ আর করোনা সংক্রমণের সঙ্গে গভীর ভাবে যোগাযোগ রয়েছে৷ ২১ জুন সূর্যগ্রহণ দিয়ে শেষ হবে করোনার প্রকোপ,দাবী করেছেন ডঃ কে এল সুন্দর

কি করা চলবে না গ্রহনের সময় ?

ভারত ছাড়াও এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে আফ্রিকা মহাদেশে৷ যেমন মধ্য আফ্রিকা রিপাবলিক, কঙ্গো, ইথোপিয়া৷ এছাড়াও পাকিস্তান ও চিন থেকেও গ্রহণ দেখা যাবে৷ মহাজাগতিক এই সব বিষয়গুলির সঙ্গে নানা ধরনের কুসংস্থার যুক্ত থাকে৷ যেমন গ্রহণের সময় রান্না না করা বা না খাওয়া৷ আসলে সূর্যের রশ্মিতে হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো ধূলিকণা বা জীবাণুর মৃত্যু হয়৷ ফলে সূর্যের তাপ যখন কমবে তাতে কিছুটা প্রভাব পড়বে৷ সে কারণে খেতে বা রান্না করতে নিষেধ করা হয়৷ তার সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে করোনা মহামারী৷ অনেকেই তাই গ্রহণের জন্য বেশি সতর্ক হয়ে রয়েছেন৷





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck