শালবনিতে করোনা চিকিৎসার হাসপাতাল

1st July 2020 10:13 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
শালবনিতে করোনা চিকিৎসার হাসপাতাল


করোনা আক্রান্তের ‘চাপ’ বাড়তে পারে। সেই মতোই নানা পরিকাঠামোয় ঢেলে সাজা হচ্ছে শালবনির করোনা হাসপাতাল (লেভেল- ৪)। শালবনি সুপার স্পেশালিটিকেই করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত হয়েছে। পাঁচতলা ভবনের প্রতিটি তলাতেই করোনা চিকিৎসার পরিকাঠামো থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক রশ্মি কমল মানছেন, ‘‘শালবনির ওই হাসপাতালে কোভিড চিকিৎসার সব রকমের ব্যবস্থাই থাকবে। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।’’ জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিমাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘ওখানে আপৎকালীন পরিস্থিতি সামলানোর ব্যবস্থা থাকবে।’’ 

এক সময় মেদিনীপুরে দু’টি করোনা হাসপাতাল গড়া হয়েছিল। লেভেল-১ এবং ২। তবে এই দুই হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত নয়, শুধু সন্দেহভাজনদেরই চিকিৎসার সিদ্ধান্ত হয়। তখন পশ্চিম মেদিনীপুরের করোনা আক্রান্তদের পাঠানো হত পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় লেভেল-৪ বড়মা করোনা হাসপাতালে। পরে বড়মায় পশ্চিম মেদিনীপুরের রোগী ভর্তি বন্ধ হয়। শালবনি সুপার স্পেশালিটিকে লেভেল-৪ করোনা করোনা হাসপাতালকে রূপান্তরিত করা হয়। প্রথম পর্যায়ে এখানে প্রায় ৫০টি (খাতায় কলমে ৪৭টি) শয্যা চালু হয়েছে। এখন জেলার করোনা আক্রান্তদের এখানেই ভর্তি করা হচ্ছে। ১ জুলাই থেকে মেদিনীপুরের লেভেল-২ হাসপাতালটি বন্ধ হচ্ছে।  ফলে, রোগীর ‘চাপ’ বাড়তে পারে শালবনিতে। সব দিক দেখে শয্যা বাড়ানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘জেলাস্তরে এক বৈঠকে আলোচনার ভিত্তিতে খসড়া হয়েছে। শালবনির হাসপাতালে ১৪৪টি শয্যার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।’’





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck