আমফানে এক ব্লকেই ১২৫ ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্ত

3rd July 2020 8:19 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
আমফানে এক ব্লকেই ১২৫ ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্ত


ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও আমপান ঝড়ের সরকারি ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছেন— পূর্ব মেদিনীপুরে নামের সেই তালিকাটি দীর্ঘ। ওই ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে পুরোদমে টাকা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কাঁথি মহকুমায়। প্রশাসন সূত্রের খবর, শুধু রামনগর-২ ব্লকেই ১২৫ জন ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ক্ষতিপূরণের ২০ হাজার করে টাকা।

রামনগর ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, গোটা ব্লকে পাঁচ হাজার জনের বাড়ি ভাঙার তালিকা তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। আপাতত আড়াই হাজার বাড়ি-ক্ষতিগ্রস্তের অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা করে জমা পড়ে গিয়েছে। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তদন্ত হয়। তাতে টাকা পাওয়ায় ১২৫ জনের আকাউন্ট থেকে ফের ওই টাকা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অঙ্কের হিসাবে দেখলে শুধু রামনগর-২ ব্লকেই ১২৫ জনের কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা প্রাথমিকভাবে ফেরত আসবে সরকারি কোষাগারে।   

রামনগর-২ এর বিডিও অর্ঘ্য ঘোষ বলেন, ‘‘প্রথম পর্যায়ে আড়াই হাজার আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে টাকা চলে গিয়েছিল। তবে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে আবেদনকারীদের তথ্য পুনরায় খতিয়ে দেখার পর ১২৫ জনের অ্যাকাউন্টে থাকা ২০ হাজার টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে সরকারি বিধি মেনে টাকা ফেরত নেওয়া হচ্ছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck