পশ্চিম মেদিনীপুরে কন্টেনমেন্ট জ়োন দেখে নেন

9th July 2020 9:21 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে কন্টেনমেন্ট জ়োন দেখে নেন


 à¦à¦•টা সময়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে সংক্রমণ অতি মাত্রায় বাড়লেও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবশ্য তা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪২৫। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৫২ জন। সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৬৬। অর্থাৎ, জেলায় সুস্থতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরার শুরুর দিকে জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছিল করোনা- সংক্রমণ। ভিন্ রাজ্যগুলি থেকে প্রায় à§­à§§ হাজার জন পশ্চিম মেদিনীপুরে ফিরেছেন। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিমাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘এক সময়ে সংক্রমণ বেড়েছিল। কিন্তু এখন তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।’’

গণ্ডিবদ্ধ এলাকাগুলিতে লকডাউন কতদিন চলবে, সে ব্যাপারে নবান্ন পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেই প্রশাসনের এক সূত্রে খবর। আনলকপর্বে এ জেলাতেও প্রায় প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের হদিস মিলছে। আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক, নার্সের মতো ‘করোনা- যোদ্ধারাও’। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক মানছেন, ‘‘অন্য এলাকাগুলিতে অনেকটা রাশ এসেছে। এই পর্বে ঘাটাল, দাসপুর, খড়্গপুরের মতো এলাকাতেই সংক্রমণের হার বেশি।’’ তাঁর কথায়, ‘‘লকডাউন কার্যকর করতে ওই এলাকার কন্টেনমেন্ট জ়োনগুলিতে বিশেষ জোর   দেওয়া হবে।’’

কনটেনমেন্ট জ়োন: ৩৩

ব্লক

• ঘাটাল                 ২

• খড়্গপুর- à§§         à§§

• খড়্গপুর- ২         à§©

• দাসপুর- à§§          à§­

• দাসপুর- ২          à§«

• শালবনি              ২

• কেশিয়াড়ি         à§§

• নারায়ণগড়       ২

• মেদিনীপুর         à§§

• গড়বেতা- à§§       à§§

শহর

• খড়্গপুর       à§­

• ঘাটাল        à§§

(পশ্চিম মেদিনীপুরের কোথায় কত কন্টেনমেন্ট জ়োন। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। তথ্যসূত্র: জেলা প্রশাসন)





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck