খড়্গপুরে তিন আরপিএফের করোনা

10th July 2020 9:08 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়্গপুরে তিন আরপিএফের করোনা


খড়্গপুর: খড়্গপুরে ফের আরপিএফ কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হলেন। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের আরপিএফ বারাকে তিনজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্ত হয়েছেন রেল হাসপাতালের এক কর্মীও। এক আরপিএফ কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় রেল হাসপাতালে বাকিদের নমুনা নেওয়া হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যদপ্তরের হাতে রিপোর্ট এসে পৌঁছয়। হাসপাতাল কর্মীর অসুস্থতা দেখা দেওয়ায় তিনি নমুনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তাতেই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
ওই দিনই আরও কয়েক জনের রিপোর্ট অমীমাংসিত আসায় স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসনের উদ্বেগ বেড়েছে। খড়্গপুরের এসিএমওএইচ দেবাশিস পাল বলেন, ছ’জন আরপিএফ কর্মী সহ ন’জনের রিপোর্ট অমীমাংসিত এসেছে। বাকি তিনজনও রেলেরই কর্মী। শহরের বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা থাকেন। রেল হাসপাতালেই সকলের নমুনা নেওয়া হয়েছিল। এবার এঁদের পৃথক পৃথকভাবে নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হবে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck