দুর্নীতির আলোচনা! বৃদ্ধকে ‘মার’ সিভিক ভলান্টিয়ারের

10th July 2020 9:17 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
দুর্নীতির আলোচনা! বৃদ্ধকে ‘মার’ সিভিক ভলান্টিয়ারের


আমপানের ক্ষতিপূরণ এবং সেই সংক্রান্ত দুর্নীতির নিয়ে আলোচনা করার ‘অপরাধে’ এক বৃদ্ধের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নন্দীগ্রাম থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়া-à§§ গ্রাম পঞ্চায়েতের কাণ্ডপশরা এলাকার ওই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত। যদিও নন্দীগ্রাম থানার পুলিশের দাবি, তাদের কাছে এ  বিষয়ে কোনও খবর নেই।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রঙ্গলাল গুড়িয়া নামে ওই এলাকার à§­à§© বছরের এক  বাসিন্দা বুধবার আমপানে ক্ষতিপূরণের তালিকা নিয়ে নিজের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। অভিযোগ, সেই আলোচনা শুনতে পেয়ে প্রতিবেশী তথা সিভিক ভলেন্টিয়ার গোপাল গুড়িয়া, তাঁর বাবা প্রলয় গুড়িয়া এবং রিনা গুড়িয়া নামে তিনজন ওই বৃদ্ধের উপরে চড়াও হন। মেরে তাঁরা মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান এলাকাবাসী। তাঁর মাথায় সেলাই পড়েছে বলে দাবি।

ঘটনায় রঙ্গলাল নন্দীগ্রাম থানায় ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, ঝড়ে তাঁর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু তালিকায় তাঁর নাম নেই। এ দিন ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আলোচনা করেই তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি রঙ্গলালের। ওই কাণ্ড ঘটিয়েও অভিযুক্ত নিশ্চিতেই বাড়িতে রয়েছেন বলে দাবি তাঁরা। যদিও নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে।  ব্যাপারে হলদিয়ার এসডিপিও তন্ময় মুখোপাধ্যায় বলেন,  ‘‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’’  





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck