ডঃ কাফিল খানের মুক্তির দাবীতে আন্দোলনে কাঁপছে সোশ্যাল মিডিয়া

13th July 2020 10:29 am ভারত
ডঃ কাফিল খানের মুক্তির দাবীতে আন্দোলনে কাঁপছে সোশ্যাল মিডিয়া


উত্তর প্রদেশের শিশু ডাক্তার কাফিল খান যিনি নিজের চেষ্টায় বহু শিশুর প্রান বাঁচিয়েছিলেন , সেই ডাক্তারকেই সরকারি হাসপাতালে ৬০ শিশুর মৃত্যুর দায়ে জেল বন্দি করেছিল জোগি সরকার । দীর্ঘদিন জেল বন্ধী থাকাকালিন তাঁর উপর অত্যাচার করে পুলিশ । কিন্তু বিচারে তিনি নির্দোষ প্রমানিত হন । কিন্তু তবুও তাঁকে মুক্ত না করে তাঁর উপর চলত অত্যাচার । তিনি খোলা চিঠি দেন যে , যোগীর আদেশে তাঁকে বিনা অপরাধে বন্দী করে নির্যাতন করা হচ্ছে । সোশ্যাল মিডিয়াতে উঠে ঝড় । বাধ্য হয়ে তাঁকে মুক্তি দেয় ।

আবার একি পরিস্থিতি , গত বছর আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে একটি সভায় সিএএ ও এনআরসি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি৷  মুম্বই বিমানবন্দর থেকে থাকে একটি এফআইআরের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷ সেই মামলাতেই  তিনি জামিন পান৷ যদিও, এখনও তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়নি৷ সেই এফআইআর-এ বলা হয়েছিল, গত বছর ডিসেম্বর মাসে তিনি আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যার জন্য শান্তি বিঘ্নিত হয়েছিল৷ এই অভিযোগ দায়ের হওয়ার দু’দিন পরেই আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে অশান্তি ছড়ায়৷ এই সবের পিছনেই কাফিল খানের বক্তব্যের ভূমিকা আছে বলে মনে করছে প্রশাসন৷ তাই কাফিল খানের কার্যকলাপ দেশে নিরাপত্তার অভাব তৈরি করতে পারে ও অশান্তি ছড়াতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে, প্রশাসনের মত এমনই৷

কিন্তু বুদ্ধিজীবী সমাজ মনে করেন , মুসলিম হওয়ার কারনে তাঁর উপরে এমন নির্যাতন করা হচ্ছে । তিনি মুসলিম হওয়ার কারনে CAA ও  NRC এর বিরোধিতা করে বক্তব্য রেখেছিলেন যা মোদী সরকারের পছন্দ হয় নি । ১৫ ই জুলাই তাঁর মুক্তির দাবীতে সারা ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায়  আন্দোলনের ঝড় চলছে । এখন দেখার বিচারক কি রায় দেন ?





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck