হুগলির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দেবদত্তা রায়ের করোনা নিল জীবন

13th July 2020 8:41 pm পশ্চিমবঙ্গ
হুগলির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দেবদত্তা রায়ের করোনা নিল জীবন


করোনা আক্রান্ত হয়ে ডব্লুবিসিএস অফিসারের মৃত্যু। হুগলির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দেবদত্তা রায়ের মৃত্যু। কয়েকদিন ধরেই করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। আজ, সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়।

হুগলির প্রশাসন সূত্রে খবর, ডানকুনিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর দায়িত্বে ছিলেন দেবদত্তা। করোনা পজিটিভ হওয়ায় প্রথমে তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় শ্রীরামপুরের শ্রমজীবী হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানেই সোমবার মৃত্যু হয়েছে তাঁর। দেবদত্তার মৃত্যুতে প্রশাসনিক স্তরে শোকের ছায়া।

দেবদত্তা রায় ২০১০ সালের ডব্লিউবিসিএস আধিকারিক। হুগলি জেলাশাসকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহখানেকের বেশি তিনি অসুস্থ ছিলেন। এর পর কলকাতায় তিনি কোভিড পরীক্ষা করান। সেই রিপোর্ট পজিটিভ হয়। জেলাশাসকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দমদমের লিচুবাগানে বাড়ি দেবদত্তা রায়ের। কোভিড পজিটিভ হওয়ার পর তিনি প্রথমে হোম আইসোলেশনেই ছিলেন।

কিন্তু বাড়িতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। দেবদত্তার পরিবারের কাছ থেকে জেলাশাসকের দফতরে জানানো হয়েছিল যে তিনি কলকাতার কোভিড হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেখানে ভর্তি হতে পারেননি। এর পর রবিবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাঁকে হুগলির শ্রমজীবী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই সোমবার সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck