খড়গপুরের সালুয়ায় ৪৫ কনস্টেবল করোনা আক্রান্ত

14th July 2020 10:13 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়গপুরের সালুয়ায় ৪৫ কনস্টেবল  করোনা আক্রান্ত


রেলরক্ষীদের সূত্রে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল খড়্গপুরে। তারপরে ক্রমেই বাড়ছিল আক্রান্তের সংখ্যা। এবার খড়্গপুর শহরের উপকণ্ঠে সালুয়ার ইএফআর ক্যাম্পে প্রশিক্ষণরত ৪৫ জন কনস্টেবল একসঙ্গে আক্রান্ত হলেন।  

তাঁদের মধ্যে তিনজনের রিপোর্ট রবিবার রাতে পজ়িটিভ এসেছিল। সোমবার সন্ধ্যায় আরও ৪২ জন আক্রান্ত বলে জানায় স্বাস্থ্য দফতর।  আক্রান্ত কনস্টেবলরা নদিয়া, বাঁকুড়া-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। গত কয়েকমাস ধরে সালুয়ার এই ইএফআর ক্যাম্পে রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন শাখার ৪৪০ জন কনস্টেবল প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। দিন কয়েক আগে তাঁদের একজন করোনা পজ়িটিভ হন। তারপর উপসর্গ থাকা আরও সাত কনস্টেবলের পরীক্ষা হয়। সেখানে চারজন নেগেটিভ হলেও তিনজনের রিপোর্ট অমীমাংসিত আসে। ওই তিনজনের নমুনা পরে পৃথকভাবে পরীক্ষা হলে রিপোর্ট পজ়িটিভ হয়। 

এরপরে শনিবার নতুন করে আরও ৬০ জন কনস্টেবলের নমুনা নেওয়া হয়। রবিবার রাতে সেগুলি অমীমাংসিত এলে পৃথকভাবে পরীক্ষা করানো হয়। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁদের মধ্যে ৪২ জনের রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। বাকিদের রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ এসেছে। অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস পাল বলেন, “রবিবার থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সালুয়ার ৪৫ জন প্রশিক্ষণরত কনস্টেবল করোনা আক্রান্ত হয়েছে। একজন করোনা আক্রান্তে সংস্পর্শে আসায় ওঁদের পরীক্ষা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে সকলের রিপোর্ট অমীমাংসিত হলেও পৃথকভাবে পরীক্ষার পরে পজ়িটিভ হয়েছে। আরও অনেকের নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে।”





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck